সবুজবাংলা২৪ডটকম, মাধবদী (নরসিংদী) : শীত মৌসুমে মাধবদীর বিভিন্ন ফলের দোকানে পাওয়া যাচ্ছে টাটকা সুস্বাদু ও পুষ্টিকর আপেল কুল। দেখতে হলুদাভ ও লালচে হলুদাভরঙের এই কুলের স্বাদ ও গন্ধ অনেকটা আপেলের মতো। তবে বিভিন্ন কারণে বাজার মূল্যের দামে রয়েছে ভিন্নতা।
গতকাল মাধবদী বাজারের ফল পট্টি, স্কুল মার্কেটের সামনে, বট তলা, সহ বাজারের বিভিন্ন অলিগলিতে এসব কুলের বিক্রি করতে দেখা গেছে। জানা যায়, মাধবদীতে বিভিন্ন ফলের দাম বেশি হওয়ায় সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে। তাই মানুষ আপেল, আঙ্গুর, বেদনা, কমলার পরিবর্তে বরই বা আপেল কুলকে বেছে নিচ্ছে। এসব ফলের দাম বেড়ে যাওয়ায় আপেল কুলের কদর বাড়ছে।
সু-সাশনের জন্য নাগরিক এর জেলা সম্পাদক হলদর দাস বলেন, বিদেশি ফলের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে গেছে। নিত্যপণ্যের বাজার আগে থেকেই চড়া। যার কারণে অনেক মানুষ দাম শুনে ফল না কিনেই চলে যাচ্ছেন। আবার বিশেষ প্রয়োজনে যারা কেনেন। তারাও অল্প পরিমাণে কিনছেন। আমিও অন্যন্য ফলের দাম বেশি হওয়ায় দুই কেজি আপেল কুল ৪০০ টাকা দিয়ে কিনলাম।
সাইদুল ইসলাম বাবু নামে এক
হসপিটাল ম্যানেজার বলেন, শীতের নতুন ফল আপেল কুল হিসেবে বাড়ির জন্য এক কেজি কিনলাম ২০০ টাকা দরে। বাড়ির সবাই একসাথে আপেল কুল খাবো। আপেল কুল খেতে চমৎকার।
কাদির মোল্লা ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের ছাত্রী জয়িতা বলেন, আপেল কুল আমার খেতে ভালো লাগে কিন্তু বিদ্যার দেবী মা সরস্বতী পুজা না হওয়ার পর্যন্ত আমারা হিন্দু সম্প্রদায়ের কোন ছাত্র বা ছাত্রী কেউ আপেল কুল বা বরই মুখে দিব না।
মাধবদী বাজারের ফল ব্যবসায়ীরা দাম বৃদ্ধির কথা স্বীকার করে বলছেন, অন্যান্য বছর যে দামে আপেল কুল বিক্রি হয়, এবার সেই দামে পাইকারি পর্যায় থেকে কেনাও যাচ্ছে না। তাই আপেল কুলের দাম বেশি। মাধবদী বাজারের ফলের দোকানের সামনে থেকে কথা হয় ফল ব্যবসায়ী হানিফ ও জুয়েলের সাথে। তারা বলেন, মৌসুম শুরুর আগে আপেল কুল বাজারে আসা শুরু হয়েছে। তাই চাহিদা কম দাম কিছুটা বেশি। কিছুদিন পর চাহিদা বাড়লে দাম হাতের নাগলে থাকবে বলে আশাবাদী।