সবুজবাংলা২৪ডটকম, ঢাকা : রাজধানীর উত্তর সিটির দক্ষিণ খানে সড়কের পাশে এভাবে ভবন নির্মান সামগ্রী (বালু, ইট, পাথর) পড়ে থাকতে দেখা যায়। এ রকম দৃম্য যেনো প্রতিদিন সকালে দেখা মেলে। যার কারনে সকাল যানজট চোখে পড়ে। এলাকার এক শ্রেনি জানায়,এলাকার প্রভাবশারীদের দখলে দক্ষিণ খানের সড়ক তাই কেউ কোনো প্রতিবাদও করতে পারে না এবং ভবন নির্মান সামগ্রীর মালিকদের নামও কেউ সংবাদমাধ্যমকে জানাতে চায় না। এদিকে সরেজমিনে তথ্য নিয়ে জানা গেছে,প্রতিনি সকালে সড়কের পাশে ইট,বালি,পাথর রাখারা কারনে পথচারীদের চলাচলে চরম বাধার সম্মখিন হতে দেখা যায়,সেই সঙ্গে ভারী যানবহন প্রবেশ ও অটোরিকশার এলোপাতাড়ি রেখে যানজট যেনো সীমাহীন। এমন কি দক্ষিণ খান গাওয়াইর বাজার সংলগ্ন স্কয়ার বিল্ডিংয়ের সামনে সড়কের পাশে ইটের স্তুর দেখা যায় ৫ দিন ধরে পড়ে থাকতে,আর এগুলো এলাকার প্রভাবশালীদের ভবন নির্মান সামগ্রী ,যার কারনে পথচারীদের প্রতিদিনই ভোগান্তিতে পড়তে দেখা যাচ্ছে। আর এর কারনে প্রতি দিনে ও রাতে পথচারীদের চলাচলের সময় একজনের সঙ্গে অন্য জনের শরিরে ধাক্কা লেগে প্রায় সময়ই সংঘর্ষ হতে দেখা যায়। পথচারীরা জানান,সকালে শিক্ষার্থীরা তাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যায়,পোষাক কর্মীরা ও কর্মজীবীরা তাদের কর্মস্থলে যায় ,আর এ সময় বালি,পাথর,ইট রাস্তার পাশে রেখে কেনো তারা পথচারীদের চলাচলের বাধা সৃষ্টি করছেন। তথ্য নিয়ে জানা গেছে সকাল কিংবা রাত নয় প্রতিটা সময়ই ভারী যানবন প্রবেশ করছে দক্ষিণ খান এই সড়কে আর দেখা যায় থেমে থেমে যানজন। একজন পথচারী জানান, “এটা কি মঘের মুল্লুক নাকি ,যার যা খুশি সে তাই করছে”? যে যার মত দক্ষিণ খান বাজার থেকে কষাই বাজার পর্যন্ত সড়কের পাশে ভ্যান বসিয়ে তাদের সুবিধা মত ব্যবসা করছেন,তারওপর আবার অটোরিকশা-ইজি বাইকের বেপরোয়া চলাচল ও এরোপাতাড়ি ভাবে রেখে যানজন সৃষ্টি করছে,কারোর যেনো কোনো গুরুত্ব নেই। এমন কি রাজধানীর দক্ষিণ খান উত্তর সিটির আওতাধীন হলেও সব সময় সিটি কর্পোরেশনের নিধারিত ট্রাফিকও দেখা যায় না,নির্ধারিত স্থানে বাজার থাকলেও কেনো সড়কের উপরে আবার সড়কের পাশে ভ্যান বসিয়ে ব্যাবসা করেই চলেছে। এমন কি অবৈধভাবে দক্ষিণখান বাজার এলাকায়,গাওয়াইর বাজার এলাকায় ও কষাই বাড়ি এলাকায় সড়কের পাশে ভাসমান ভ্যান বসিয়ে যারা ব্যবসা করেই চলেছে তাদের উচ্ছেদের জন্য কখনোই কোনো নির্বহিী ম্যাজিস্ট্রে প্রবেশও করতে দেকা যায়নি। যার কারনে সকালে-দুপুরে-বিকেলে এমনকি রাতেও যানজন দেখা মেলে। এ ধরনে যানজট ও পথ চলাচলের ভোগান্তি থেকে রেহায় পেতে চায় দক্ষিণখান বাসী।