সবুজবাংলা২৪ডটকম, ঢাকা : জবাবে তিনি দাবি করেন, ‘আমরা কেউই সরকারের উপদেষ্টা পদে যেতে চাইনি, জাতীয় সরকার গঠনের আহ্বান জানিয়েছিলাম। তাহলে কিন্তু ছাত্রদের এই দায়িত্ব পালন করা লাগতো না। যদি অভ্যুত্থানের শক্তি সরকারে না থাকত, তাহলে এই সরকার তিন মাসও টিকত না।’
এসময় উপদেষ্টা পরিষদের কয়েকজন তাদের বিশ্বাস রাখেননি বলেও মন্তব্য করেন নাহিদ। তাদের প্রতি বিশ্বাস রেখে প্রতারিত হয়েছেন বলেও জানান। সেসব উপদেষ্টাদের নাম প্রকাশ করার হুঁশিয়ারিও দেন এই জুলাই যোদ্ধা।
শুধু তাই নয়, উপদেষ্টাদের অনেকে সেফ এক্সিট নিয়ে এখনই ভেবে রেখেছেন বলেও দাবি করেন নাহিদ। তিনি মন্তব্য করেন, ‘তারা (উপদেষ্টারা) রাজনৈতিক দলের সঙ্গে লিয়াঁজো করে রেখেছেন।’
সাবেক এই উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘৫ আগস্ট ক্যান্টনমেন্টে ‘সেজদা’ দিয়েছেন রাজনৈতিক নেতারা, ছাত্ররা নয়।’
ছাত্র-জনতার প্রবল আন্দোলনে গত বছরের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ৮ আগস্ট ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান করে গঠিত হয় অন্তর্বর্তী সরকার। সেই সরকারের উপদেষ্টা পরিষদে ছাত্রদের মধ্য থেকে নাহিদ ইসলাম তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ে এবং আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান।
পরবর্তীতে নাহিদ ইসলাম পদত্যাগ করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্রদের গঠিত নতুন রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়কের দায়িত্ব নেন, এখনো তিনি সেই পদ সামলাচ্ছেন।
এদিকে নাহিদের পদত্যাগের পর তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয় আরেক ছাত্র প্রতিনিধি মাহফুজ আলমকে। তিনি এবং আসিফ মাহমুদসহ দুজন ছাত্র উপদেষ্টা এখনো রয়েছেন ড. ইউনূসের সরকারে।