সবুজবাংলা২৪ডটকম, কয়রা (খুলনা) : খুলনা জেলা যুবদল কর্তৃক আয়োজিত উপজেলা ভিত্তিক যুব সমাবেশ সফল করার লক্ষে কয়রায় এক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৩ টায় কয়রা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের হলরুমে কয়রা উপজেলা যুবদল এই প্রস্তুতি সভার আয়োজন করে। কয়রা উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মোঃ শরিফুল আলমের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব মোঃ মোতাসিম বিল্ল্যাহের সঞ্চলনায় প্রস্ততি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন খুলনা জেলা যুব দলের যুগ্ম আহবায়ক রুবেল মীর। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন খুলনা জেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক ইঞ্জিঃ জাহিদুর রহমান শোভন। এতে আরও বক্তব্য রাখের জেলা যুবদলের সদস্য হাবিবুন নবী পীর আলী, বশির আহমেদ শাহিন, এমডি জাকারিয়া হোসেন, প্রভাষক মফিজুল ইসলাম, এস এম নাসির উদ্দীন, কয়রা উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক ইছানুর রহমান, আকবার হোসেন, আসাদুল ইসলাম, ইউনুস আলী, আনারুল ডাবলু, হাফিজুর রহমান, যুবদল নেতা আবুল কালাম আজাদ কাজল, সরদার মাসুদ, দেলোয়ার হোসেন, আহাদুর রহমান লিটন. আছাফুর রহমান, জুয়েল, লিটু প্রমুখ। প্রস্তুুতি সভায় কয়রা উপজেলা যুব দলের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
কয়রায় বিভিন্ন পূজা মন্ডপ পরিদর্শন করলেন বিএনপি নেতা ডাঃ আঃ মজিদ
কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধিঃ সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে কয়রা উপজেলার বিভিন্ন পূজা মন্ডপ পরিদর্শন করেছেন পাইকগাছা উপজেলা বিএনপির আহবায়ক ও খুলনা-৬ (কয়রা-পাইকগাছা) আসনের বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ডাঃ আব্দুল মজিদ ।
মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দিনব্যাপী তিনি কয়রার বিভিন্ন পূজা মণ্ডপে গিয়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং পূজা উপলক্ষে তাদের শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালনের জন্য সার্বিক খোজ খবর নেন।
এ সময় তিনি বলেন, বাংলাদেশে সব ধর্মের মানুষ একে অপরের সাথে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করে আসছে।বিএনপি সব সময় সাম্প্রদায়িক সাম্প্রতিকে গুরুত্ব দেয়। এই চেতনায় আমরা বিশ্বাস করি। তিনি আরও বলেন, আগামী নির্বাচনে আমি বিএনপির মনোনয়ন পেলে আপনাদের পাশে থেকে উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকতে চাই। এর আগে সকাল ১০ টায় প্রগতি শিশু শিক্ষা নিকেতনে কয়রা উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দের সাথে মত বিনিময় করেন তিনি। এ সময় পূজা মন্ডপ পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন, রাড়লী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি নাজির উদ্দীন,লস্কর ইউনিয়ন বিএনপি’র সাবেক সভাপতি আসাদুজ্জামান (খোকন), চাঁদখালী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ আসাদুজ্জামান, পাইকগাছা উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি মোঃ মেছের আলী সানা, বিএনপি নেতা মনসুর আলী গাজ, বাদশা, নাজমুল হুদা মিন্টু আজিবার রহমান মোস্তাকিম গাজী,আল আমিন সানা,সোহেল রানা, ইসমাইল মালি,সেলিম গাইন,সুজন গাজী সালেক সরদার, সুমন সরদার প্রমুখ।
কয়রায় বসতবাড়িতে আগুন লেগে ২টি ঘর পুড়ে ছাঁই,মাথা গোজার ঠাঁইটুকু হারিয়ে নিঃস শ্যামল
কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধিঃ খুলনার কয়রায় বিদ্যুতের শর্ট সার্কিট থেকে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে একটি পরিবারের ২ টি বসতঘর সম্পূর্ণ পুড়ে ছাঁই গেছে। রবিবার( ২৮ সেপ্টেম্বর) রাত সোয়া ৮টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের ৬নং কয়রা গ্রামের শ্যামল কয়ালের বাড়িতে এ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে।পরে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ও স্থানীয়দের প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে, তবে আগুন নেভানোর আগেই তাদের সব কিছু পুড়ে ছাঁই হয়ে যায়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিদ্যুতের সর্ট সার্কিট থেকে হঠাৎ আগুনের সূত্রপাত ঘটে বলে ধরণা করা হচ্ছে । মুহূর্তেই আগুন চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে, পুড়ে যায় ঘরের আসবাবপত্র থেকে শুরু করে কাপড়চোপড়, নগদ টাকা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী। মাথা গোজার ঠাঁইটুকু পুড়ে যাওয়ায় তাদের এখন খোলা আকাশের নিচে রাত্রী যাপন করতে হচ্ছে। শ্যামল কয়ালের প্রতিবেশি রবিন্দ্রনাথ কয়াল বলেন, এখন পূজার আনন্দ নিয়ে সবাই ব্যস্ত তখন হঠাৎ বিদ্যুতের সর্ট সার্কিট থেকে আগুন লাগে।আগুন লাগা ঘরের ভেতরে শ্যামলের স্ট্রোকে আক্রান্ত বৃদ্ধ বাবা মা ছিল । তখন কোন ভাবে স্থানীয়দের সহযোগীতায় প্রাণ নিয়ে ঘর থেকে বের বের করতে পারলেও সবকিছু হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে গেছেন তারা। এদিকে আগুনের খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে দ্রুত এলাকাবাসী ঘটনাস্থলে পৌছিয়ে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয় এবং আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে।
ভুক্তভোগী শ্যামল কয়াল বলেন, আমার তিল তিল করে গড়া স্বপ্নটুক মুহুর্তেই সব পুড়ে ছাঁই হয়ে গেছে। শুধু পরনের কাপড় টুকু ছাড়া আর কিছুই নিতে পারিনি। শুধু বৃদ্ধ বাবা মাকে কোন ভাবেই ঘর থেকে বের করতে পেরেছিলাম। এখন কোথায় থাকবো কি খাবো ভেবে পাচ্ছি না। ফায়ার সার্ভিস কয়রা ষ্টেশনের কর্মকর্তা মোঃ আঃ সালাম জানান, উপজেলা সদর থেকে ১০ কিলোমিটার দূরের একটি বাড়িতে আগুন লাগার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছানোর চেষ্টা করি। কিন্তু বাড়িটি বেশ দূর্গম এলাকায় হওয়ায় চিকন ইটের রাস্তা দিয়ে গাড়ি ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম নিয়ে ঘটনাস্থল পৌছাতে পৌছাতে ততক্ষনে ঘরের অধিকাংশ পুড়ে যায়। কয়রার রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, পুলিশ প্রশাসন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এ ছাড়া প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।