• রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০২:৪৪ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]

চাঁদাবাজি বন্ধ করতে হবে মন্ত্রী পর্যায় থেকে : শওকত আজিজ রাসেল

একেএম শাহজাহান :
Update : শনিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৫

সবুজবাংলা২৪ডটকম, নোয়াখালী : চাঁদাবাজ ও রাজনৈতিক সংস্কারের প্রসঙ্গে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি, আম্বার গ্রুপের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক শওকত আজিজ রাসেল বলেছেন, “আগামী দিনে বিএনপি বলেন বা অন্য যে দলই বলেন, আগের মতো হবে বলে মনে করি না। চাঁদাবাজ, মন্ত্রীও চাঁদাবাজ, এমপিও চাঁদাবাজ। আমরা যে চাঁদাবাজির দোহাই দিই, সেটা বন্ধ করতে হলে মন্ত্রী-মিনিস্টার পর‌্যায় থেকেই পরিশুদ্ধ করতে হবে। সেই প্রক্রিয়া এবার আমার নেতা তারেক রহমান হাতে নেবেন।” শুক্রবার (২৯ আগস্ট) রাতে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের চৌমুহনী হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। শওকত আজিজ রাসেল বলেন, বিগত সংসদ নির্বাচনে বেগম খালেদা জিয়া আমাকে নোয়াখালী-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দিয়েছিলেন। এবারও ধানের শীষ প্রতীকে আমাকে মনোনয়ন দেবেন বলে আশা করি। খালেদা জিয়া আমাকে জানিয়েছেন, তারেক রহমান যখন দেশে ফিরবেন, তখন তার সঙ্গে বিএনপির রাজনীতি চালিয়ে যেতে।” বেগমগঞ্জের রাজনৈতিক বাস্তবতার প্রসঙ্গে রাসেল বলেন, “বেগমগঞ্জ অবহেলিত, বিষমভাবে অবহেলিত। বাংলাদেশে ভোটের রেশিও ধরলে বেগমগঞ্জ হচ্ছে বিএনপির ঘাঁটি। এখানে সবচেয়ে বেশি বিএনপির ভোট, কিন্তু এই এলাকার মানুষ আজ অস্বস্তিকর অবস্থায় আছে। মানুষের মধ্যে একধরনের বিতৃষ্ণা কাজ করছে, যা তৈরি হয়েছে স্বজনপ্রীতি, দলীয়করণ আর অযোগ্য ব্যক্তিকে যোগ্য জায়গায় বসানোর প্রবণতায়। বেগমগঞ্জের মানুষ এই বিশৃঙ্খলা থেকে মুক্তি চায়।” সভায় নোয়াখালী জেলা বিএনপির সাবেক উপদেষ্টা শাহ আবদুল্লাহ আল বাকী, জেলা বিএনপির সদস্য জিএস হানিফ, আবু নাছের মামুন, শাহীন চেয়ারম্যানসহ উপজেলা, পর ও ইউনিয়ন বিএনপি, অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী এবং জেলায় কর্মরত প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, শওকত আজিজ রাসেল পারটেক্স গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও নোয়াখালী-২ আসন থেকে নির্বাচিত সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসেমের ছেলে।

নোয়াখালীতে তালাকের পর প্রবাসী যুবকের পরিবারকে হত্যার হুমকি
একেএম শাহজাহান : নোয়াখালী তালাক পরবর্তী পারিবারিক বিরোধের জেরে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে প্রবাসী যুবক ইয়াসিন আরাফাতের পরিবার আজ চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে। তার ছোট ভাই আরিফ হোসেনকে অপহরণ করে নির্মমভাবে মারধর করেছে স্ত্রীর পরিবারের সদস্য ও ভাড়াটে সন্ত্রাসীরা। প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে পুরো পরিবারকে। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, নাটেশ্বর মির্জানগর এলাকার নূরনবী ডিপটির মেয়ে উম্মে সালমা মিমের সাথে প্রবাসী ইয়াসিন আরাফাতের বিয়ে হয়। কিন্তু স্ত্রীর উশৃঙ্খল জীবনযাপন ও দুর্ব্যবহারের কারণে দাম্পত্য কলহে জড়িয়ে পড়ে দু’জন। এক পর‌্যায়ে স্ত্রী নিজেই ডিভোর্স চান। পরে গত ১৬ জুলাই আইনজীবীর মাধ্যমে তালাক সম্পন্ন করেন ইয়াসিন। ডিভোর্সের পর ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে মিমের পরিবার। যদিও ১৯ আগস্ট স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে কাবিনের সম্পূর্ণ টাকা পরিশোধ করা হয়, তারপরও ওইদিনই মিমের বড় ভাই মো. মিরাজ ফোনে ইয়াসিনকে হুমকি দিয়ে বলেন তিনি ইয়াসিন, তার মা ও ভাইবোনদের হত্যা করবেন। পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে ২৪ আগস্ট। সেদিন মিরাজ ও তার সহযোগীরা প্রবাসীর ছোট ভাই আরিফ হোসেনকে চৌমুহনী বাজারের একটি গলিতে অপহরণ করে বেধড়ক মারধর করে। মারধরের সময় মিরাজ পিস্তল বের করে গুলি লোড করে হত্যার চেষ্টা করে এবং মামলা করলে পুরো পরিবারকে হত্যা করে লাশ গুম করে দেওয়া হবে। প্রাণ বাঁচাতে আরিফ কোনোরকমে পালিয়ে গিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। ঘটনার পর প্রবাসী ইয়াসিনের পরিবার বেগমগঞ্জ থানায় অভিযোগ দায়ের করলেও এখন পর‌্যন্ত কোনো আসামিকে গ্রেফতার করা হয়নি। এতে ভুক্তভোগী পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। ভুক্তভোগী ইয়াসিন আরাফাত বলেন ডিভোর্স ও কাবিনের টাকা পরিশোধের পরও আমার পরিবারকে হত্যা করার ষড়যন্ত্র চলছে। হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার করে সর্বোচ্চ শাস্তি দিতে হবে।এ ঘটনায় স্থানীয়রা ক্ষোভ প্রকাশ করে প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category