• মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:২৭ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম :
৪৬তম বিসিএসের ফল প্রকাশ, ১৪৫৭ জনকে নিয়োগের সুপারিশ নির্বাচনের আগের দিন দূরপাল্লার বাস চলবে : মালিক সমিতি গুম-খুন ও দুর্নীতি-লুটপাটে জড়িত সব অপরাধীর বিচার করা হবে: নাহিদ ইসলাম ঢাকা-১০ আসনের উদ্যোগে মহিলা কর্মীদের অংশগ্রহণে বিশাল নির্বাচনী মিছিল অনুষ্ঠিত জিয়া নগরের প্রতিটি পরতে পরতে আল্লামা সাঈদীর ঘ্রাণ লেগে আছে: মাসুদ সাঈদী গোপালগঞ্জ-২ আসনের সতন্ত্র প্রার্থী শিপন ভুইয়ার উপর গুলির অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন নরসিংদী-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী খায়রুল কবির খোকন এর নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা ভোটে বাধা দিলে হাত মুচড়িয়ে দেবেন: আমীরে জামায় নরসংিদীর চরাঞ্চলে যৌথ বাহনিীর টহল, দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার সরকারি প্রতিষ্ঠানে কোনো দুর্নীতি থাকবে না : প্রধান উপদেষ্টা

কয়রায় মামলা তুলে নিতে বাদীকে হয়রানী করার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিনিধি :
Update : শনিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৫

সবুজবাংলা২৪ডটকম, কয়রা (খুলনা) : কয়রায় মামলা করায় বাদীকে মামলা তুলে নিতে হুমকি ধামকির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন উপজেলার ১নং কয়রা গ্রামের মৃত তছির উদ্দিন গাজীর পুত্র হতদরিদ্র মোঃ সেরাজুল ইসলাম। শনিবার (১৯ জুলাই) বেলা ১১ টায় কয়রা উপজেলা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য তিনি বলেন, একই গ্রামের হাবিবুর গংদের সাথে একটি মামলার সাক্ষী দেওয়াকে কেন্দ্র করে আমার বিরোধ চলে আসছে। তারই জের ধরে গত ৮ জুলাই রাত ৮ টার দিকে দেওলিয়া বাজার হতে বাসায় ফিরার পথে আমার প্রতিপক্ষ হাবিবুর সরদার, মনিরুল সরদার সহ তাদের সহযোগি আব্দুল্যাহ, হাসান আমাকে বেধড়ক মারপিট করে আহত করে। স্থানীয়রা আমাকে সেখান থেকে উদ্ধার করে। পরবর্তিতে আমি আমি আহত অবস্থায় কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা গ্রহন করি। চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরে এসে বিষয়টি আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য কয়রা উপজেলা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ৪ জনকে আসামী করে একটি মামলা করি। মামলাটি আমলে নিয়ে বিজ্ঞ আদালত পিবিআই খুলনাকে তদন্তপুর্বক প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ প্রদান করেন। মামলা করার পর থেকে আসামী পক্ষ মামলাটি তুলে নিতে আমাকে বিভিন্ন ভাবে ভয়ভীতি অব্যাহত রেখেছে। এমনকি প্রান নাশের হুমকি দিচ্ছে। সংবাদ সম্মেলন তিনি আরও বলেন, বিগত ২০১২ সালে ১নং কয়রা গ্রামের অনিল সরকারের বাড়িতে একটি চুরি সংঘটিত হয়। তিনি এই ব্যাপারে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বরাবর হাবিবুর ও মনিরুলের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দায়ের করেন। ঐ ঘটনায় আমি তাদের বিরুদ্ধে স্বাক্ষী দেই। স্বাক্ষী দেওয়ার কারনে তারা আমাকে মারপিট করে আহত করে। আমি ঐ বিষয়টি নিয়ে কয়রা থানায় ২০১২ সালের ১১ ডিসেম্বর একটি মামলা দায়ের করি। ঐ মামলায় হাবিবুর ও মনিরুল দুইজন সাজাপ্রাপ্ত হয়। সেই থেকে তারা আমাকে বিভিন্নভাবে হয়রানী করে আসছে। ঐ ঘটনার রেশ ধরে সম্প্রতি আবারও আমাকে মারপিট করে। আমি বিগত দিনে তাদের বিরুদ্ধে থানায় জিডি করার পাশাপাশি সংবাদ সম্মেলনও করেছি। তারা প্রভাবশালী হওয়ায় আমি প্রতিবাদ করতে সাহস পাচ্ছি না। এ ব্যাপারে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আমি প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category