সবুজবাংলা২৪ডটকম, নরসিংদী : নরসিংদী বড় বাজারে চাঁদাবাজি ও নৈরাজ্য বন্ধের দাবীতে দোকান বন্ধ রেখে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছেন বাজারের সর্বস্তরের ব্যবসায়ী। শনিবার সকাল ১০টায় বড় বাজার এলাকায় এ বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করা হয়।
এ সময় ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করে বলেন, কিছু সন্ত্রাসী বিভিন্ন সময় বড় বাজারের ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাঁদাবাজি করছে। না দিলে হামলা ও মারধরের শিকার হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। এসব সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় এনে উপযুক্ত বিচার করতে হবে। যদি দুইদিনের মধ্যে এদের বিরুদ্ধে প্রশাসন কোন ব্যবস্থা না নেয়, তাহলে পরবর্তীতে বড় আন্দোলনের ডাক দেয়ার হুশিয়ারি দেন ব্যবসায়ীরা। সেই সাথে সন্ত্রাসীদের প্রতিরোধ করতে প্রতিটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে একটি বাঁশি ও একটি লাঠি রাখার নির্দেশ দেন ব্যবসায়ী নেতারা।
নরসিংদী বাজার বণিক সমিতির সভাপতি বাবুল সরকারের সভাপতিত্বে বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য দেন জেলা যুবদলের সিনিয়র সহসভাপতি শাহেনশাহ্ শানু, নরসিংদী বাজার বণিক সমিতির সিনিয়র সহসভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোজাম্মেল হক খন্দকার, সাধারণ সম্পাদক মোতালিব ভূইয়া, পরিচালক আসলাম ভূঁইয়া, পরিচালক নওশের মিয়া, মুরাদ হোসেন, মো. শহীদ মিয়া, শফিক মিয়া, ফারুক আহমেদ, নরসিংদী বাজার প্রতিরক্ষা কমিটির সাধারণ সম্পাদক জীবন সাহা, নরসিংদী শহর ফল ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মাতবর মিয়া, সাধারণ সম্পাদক সুজন সাহা প্রমুখ।
মাধবদীতে নিখোঁজের ২০ দিন পর অটোরিকশা চালকের মরদেহ উদ্ধার, দুইজন গ্রেপ্তার
মোঃ আল আমিন :
সবুজবাংলা২৪ডটকম, মাধবদী (নরসিংদী) : নিখোঁজের ২০ দিন পর রমজান মিয়া (৩২) নামে এক অটোরিকশা চালকের মরদেহ উদ্ধার করেছে মাধবদী থানা পুলিশ। শুক্রবার (১১ জুলাই) সকালে মাধবদী থানার কবিরাজপুর এলাকার ব্রহ্মপুত্র নদ হতে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
পরকীয়ার জেরে এ হত্যার ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন মাধবদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: নজরুল ইসলাম।
এর আগে গত ২১ জুন জিবিকার খোঁজে অটোরিকশা নিয়ে সড়কে বের হওয়ার পর থেকে নিখোঁজ ছিলেন চালক রমজান মিয়া। তিনি মাধবদী থানার রাইনাদী এলাকার সদর আলীর ছেলে।
এ ঘটনায় জড়িত থাকার দায়ে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা হলেন- কুমিল্লার হোমনার জয়পুর এলাকার জব্বার মিয়ার ছেলে বর্তমানে মাধবদী থানার কবিরাজপুর এলাকার ভাড়াটিয়া মোঃ কাউছার মিয়া (৩৫) ও কবিরাজপুর এলাকার হাছান আলীর ছেলে মোঃ শামীম মিয়া (৩৮)।
পুলিশ জানায়,গত ২১ জুন বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে নিজ বাসা হতে অটোরিক্সা নিয়ে বের হয়ে নিখোঁজ হন রমজান মিয়া। পরিবারের লোকজন খোজাখুঁজি করে না পেয়ে মাধবদী থানায় জিডি করেন। পরে রমজানের স্ত্রীর লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা হলে পুলিশ অনুসন্ধানে নামে। নিহতের পরিবারের সন্দেহের ভিত্তিতে পুলিশ কবিরাজপুর গ্রামের মোঃ সজিব (৩৪) নামে একজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠায়। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় মোঃ কাউছার মিয়া ও শামীম মিয়া নামের আরও দুইজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তাদের দেখানো মতে রমজানের মরদেহ পাকা রাস্তা সংলগ্ন ব্রহ্মপুত্র নদ হতে উদ্ধার করা হয়। আসামীদের আদালতে পাঠানোসহ ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
মাধবদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: নজরুল ইসলাম বলেন, সজিবের স্ত্রীর সাথে অটোচালক রমজান মিয়ার পরকীয়ার সম্পর্ক ছিল। এরই জেরে ক্ষিপ্ত হয়ে সজিব অন্যান্যদের সহায়তায় রমজানকে হত্যা করে মরদেহ গুম করে বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে।