• বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:৪০ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম :
আগামী নির্বাচনই ঠিক করে দেবে বাংলাদেশ কোন দিকে যাবে : প্রধান উপদেষ্টা নবম পে-স্কেলের বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি: অর্থ উপদেষ্টা সরকারবিরোধী বিক্ষোভে নিহত অন্তত ২০০০ : ইরান রংপুরে স্বচ্ছ ও গ্রহনযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিতকরণে গণমাধ্যমের ভূমিকা শীর্ষক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত শেষ মুহূর্তে জমজমাট কুমারখালীর চৌরঙ্গী বাজারের পেঁয়াজের চারা হাট নোয়াখালীতে ডাকাতি করতে গিয়ে গণধর্ষণ, গ্রেপ্তার ১ ২০১৮’র নির্বাচনে ৮০ শতাংশ কেন্দ্রে রাতে ভোট পড়ে : তদন্ত কমিটি ভারতে লাল-সবুজ জার্সিও পরতে পারবে না বাংলাদেশের সমর্থকরা দাঁড়িপাল্লায় বাজিমাত করতে চান রফিকুল ইসলাম খান গাইবান্ধায় ‎প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বাতিলের দাবীতে মানববন্ধন

ভন্ডারিয়ায় ভুয়া এতিমখানা দেখিয়ে সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি :
Update : বুধবার, ২১ মে, ২০২৫

সবুজবাংলা২৪ডটকম, ভান্ডারিয়া (পিরোজপুর) : পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ায় ভুয়া এতিমখানা দেখিয়ে সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। ২০ মে (মঙ্গলবার) উপজেলার ৫ নম্বর ধাওয়া ইউনিয়নের পশারিবুনিয়া গ্রামে অবস্থিত “আল মাদ্রাসাতুল মদিনাতুল কারিগরি এতিমখানা” (নিবন্ধন নং: ৪০১/০১) নামে একটি প্রতিষ্ঠান কখনো ইবতেদায়ি মাদ্রাসা, কখনো এতিমখানার আবাসিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচয় দিয়ে সরকারি অনুদান উত্তোলন করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ বিষয়ে জানাজানি হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এতিমখানাটির ক্যাপিটেশন বাতিল করে। কিন্তু বর্তমানে আগের সেই বাতিলকৃত ক্যাপিটেশনের জন্য রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে পুনরায় সরকারি তালিকাভুক্ত হওয়ার চেষ্টা করছে বলে জানা যায়।
এই প্রতিবেদক সরেজমিনে গিয়ে দেখতে পান, এতিমখানার নামে একটি সাইনবোর্ড লাগানো থাকলেও সেখানে কোনো ছাত্র বা রান্না-বান্নার ব্যবস্থা বা আবাসিক কার্যক্রমের চিহ্ন নেই। বরং ঘরের ভেতরে গরুর গোয়ালঘর এবং গোখাদ্যের গাদা পাওয়া গেছে। কেউ সেখানে উপস্থিত ছিল না।
এলাকাবাসীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মাঝে মাঝেই সেখানে সাইনবোর্ড পাল্টানো হয়—কখনো মাদ্রাসা, কখনো এতিমখানা হিসেবে। কিন্তু কোনো ছাত্র বা শিক্ষার্থীদের দেখা যায়নি। স্থানীয়রা জানান, মাওলানা রুহুল আমিন নামের একজন ব্যক্তি প্রতিষ্ঠানটি নিয়ন্ত্রণ করেন এবং এতিমখানার নাম ব্যবহার করে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মাওলানা রুহুল আমিন বলেন, “আপনি সরাসরি আসেন, স্বাক্ষাতে কথা বলি। আমার মসজিদে পাঠদানের ব্যবস্থা আছে, একজন হাফেজ শিক্ষকও রয়েছেন। তিনিই প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনা করেন।”
এ বিষয়ে ভান্ডারিয়া উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. আবুল হাসান বলেন, “ক্যাপিটেশনের একটি আবেদন পেয়েছি। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category