সবুজবাংলা ২৪ডটকম, গাজীপুর : গাজীপুর গাছা থানা এলাকায় জুলাই বিপ্লবে গুলিতে নিহত মিনহাজ হত্যার অন্যতম আসামি আসাদুজ্জামান বাবু ওরফে লম্বা বাবুকে গ্রেফতার করে গাছা থানা থেকে ছেড়ে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে অফিসার ইনচার্জ আলী মোহাম্মদ রাসেদের বিরুদ্ধে।
অভিযোগ উঠেছে যেই মামলাটি ওসি আলী মোহাম্মদ রাসেদ ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪ইং গাছা থানায় সিল ও স্বাক্ষর করে রেকর্ড করেছেন। সেই ওসি নিজের ইস্যু বা রেকর্ড করা মামলার আসামিকে নিজেই ছেড়ে দিলেন।এমনটিই দাবি করছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।মিনহাজ হত্যা কাণ্ডের ঘটনাটি ঘটে গত বছরের ২০ জুলাই ছাত্র-জনতার গণ অভ্যুত্থান গাছা থানার কুনিয়া বড়বাড়ি এলাকায়।
জানা যায় গাছা থানার কুনিয়াবাড়ি এলাকায় গত বছর জুলাই বিপ্লবে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে মিছিলে গুলিবর্ষণ করে ২০ জুলাই মিনহাজকে গুলি করে হত্যা করে।সেই মামলার অন্যতম অভিযুক্ত আসামি আসাদুজ্জামান বাবু ওরফে লম্বা বাবু।২৭ সেপ্টেম্বর মিনহাজের চাচা কুদ্দুস বাদী হয়ে গাছা থানায়একটি হত্যা মামলা করেন যাহার নাম্বার ২০(৯)২৪
প্রতিবেদক বিষয়টি জানার পর রাত ২টার দিকে পুনরায় গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসা হয় তাকে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮ টার দিকে গাছা থানার বাদে কলমেশ্বর থেকে এসআই মোহাম্মদ সুমন খান লম্বা বাবুকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যায়। লম্বাবাবু গাজীপুর মহানগর আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন মণ্ডলের ডান হাত ও ব্যক্তিগত গাড়ি চালকের আসনে তাকে প্রায়শই দেখা যেত বলে জানিয়েছে এলাকাবাসী।লম্বা বাবু গাছা থানার ৩৫ ওয়ার্ড এলাকার হামেদ চৌধুরীর ছেলে।
অ্যাডভোকেট আনোয়ার হোসেন, বিএনপি নেতা দেলোয়ার হোসেন ও ইউনুস জানান অনেক মানুষের সামনে থেকে লম্বা বাবুকে থানার এস আই সুমন খান গ্রেফতারকরে মোটরসাইকেলে উঠিয়ে নিয়ে গেছে। পরক্ষণেই শুনেছি ওসি থানা থেকে ছেড়ে দিয়েছে।সে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ছাত্র-জনতার মিছিলে গুলি করে মিনহাজকে হত্যা মামলায় জড়িত ও অভিযুক্ত আসামি
গাছা থানার (উপ-পরিদর্শক) এসআই সুমন খান জানান আমি আসাদুজ্জামান বাবুকে গ্রেফতার করে থানা নিয়ে আসি পরে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে এলাকার রেহান ও রাজুর জিম্মায় ওসি স্যারের আদেশে ছেড়ে দেই।সে হত্যা মামলার আসামি আমি জানিনা।
এবিষয়ে গাছা থানার ওসি আলী মোহাম্মদ রাসেদ তার শারীরিক অবস্থা দেখে তাকে ছেড়ে দিয়েছিলাম।