• বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:০৮ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম :
আগামী নির্বাচনই ঠিক করে দেবে বাংলাদেশ কোন দিকে যাবে : প্রধান উপদেষ্টা নবম পে-স্কেলের বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি: অর্থ উপদেষ্টা সরকারবিরোধী বিক্ষোভে নিহত অন্তত ২০০০ : ইরান রংপুরে স্বচ্ছ ও গ্রহনযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিতকরণে গণমাধ্যমের ভূমিকা শীর্ষক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত শেষ মুহূর্তে জমজমাট কুমারখালীর চৌরঙ্গী বাজারের পেঁয়াজের চারা হাট নোয়াখালীতে ডাকাতি করতে গিয়ে গণধর্ষণ, গ্রেপ্তার ১ ২০১৮’র নির্বাচনে ৮০ শতাংশ কেন্দ্রে রাতে ভোট পড়ে : তদন্ত কমিটি ভারতে লাল-সবুজ জার্সিও পরতে পারবে না বাংলাদেশের সমর্থকরা দাঁড়িপাল্লায় বাজিমাত করতে চান রফিকুল ইসলাম খান গাইবান্ধায় ‎প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বাতিলের দাবীতে মানববন্ধন

নোয়াখালী সূবর্ণচরে ছেলের মামলা-হামলায় বাড়িছাড়া বূদ্বা মা আয়েশা আক্তার

একেএম শাহজাহান :
Update : বুধবার, ১৩ নভেম্বর, ২০২৪

সবুজবাংলা২৪ডটকম, নোয়াখালী : নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায় ছেলের মামলা ও নির্যাতনে বাড়িছাড়া বৃদ্ধা মা। আয়েশা আক্তার (৭৯) নামে ভুক্তভোগী ওই মা গত পাঁচ দিন ধরে অন্যের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন। গতকাল সকাল ১০টার দিকে উপজেলার চরবাটা ইউনিয়নের এক আত্মীয় বাড়িতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এমন অভিযোগ করেন। আয়েশা আক্তার উপজেলার চরজুবলী ইউনিয়নের ২নম্বর ওয়ার্ডের চরজুবলী গ্রামের মৃত হাজী সিদ্দিক উল্যার স্ত্রী। সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করে বলেন, আমার দুই ছেলে, পাঁচ মেয়ে। স্বামীর মৃত্যুর পর থেকে বড় ছেলে ফয়েজ উল্যাহ আমাকে প্রতিনিয়ত মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন করেই চলছে। বড় ছেলেকে তার বাবা সুবর্ণচরে মোটরসাইকেল শোরুম ও ডিলার ব্যবসা ধরিয়ে দেয়। সে ব্যবসায় দেড় কোটি টাকা লোকসান করে। পরবর্তীতে ছেলের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে আমার অনুরোধে তার বাবা গ্যারান্টার হয়ে সুবর্ণচর ইসলামী ব্যাংক শাখা থেকে ২৫লক্ষ টাকা সিসি লোন নিয়ে দেন। এক বছর পর সিসি লোন না দিয়ে ব্যাংকের অফিসারের যোগসাজশে স্বাক্ষর জাল করে লোন বর্ধিত করে। বিষয়টি জানতে পেরে তার বাবা দুর্নীতি কমিশন সহ বিভিন্নস্থানে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য লিখিত অভিযোগ দেন। এ নিয়ে একাধিক পত্রিকায় খবর প্রকাশিত হলে ফয়েজ উল্যার ইন্ধনে ইসলামী ব্যাংক কর্তৃপক্ষ কোন নোটিশ ছাড়াই দোকান ভিটি নিলামের নোটিশ টাঙ্গিয়ে দেয়। তিনি অভিযোগ করে আরও বলেন, একপর্যায়ে সকল ওয়ারিশসহ জমি বিক্রি করে সুদ সহ ব্যাংকের ৩৮ লাখ টাকা পরিশোধ করে। তবুও দোকান ভিটি থেকে যায় ফয়েজের দখলে। এভাবে ৩৮ লাখ টাকা যায় তার পকেটে। দোকান ভাড়ার ২৬ হাজার টাকাও দীর্ঘ দিন থেকে সে ভোগ করছে। সবার অজান্তে দুই বোনকে নিয়ে ওয়ারিশী সম্পত্তি ৪০ লাখ টাকা বিক্রি করে দেয়। বিষয়টি জানাজানি হলে আবার সম্পত্তি নিয়ে পারিবারিক ঝগড়ার সূত্রপাত হয়। ছেলের দোকান থাকা অবস্থায় আমার মাসে ৮-১০ হাজার টাকার ওষুধ লাগতো। তা চাইলে সে তার স্ত্রী পপির কথা শুনে আমাকে প্রহার করে। স্বামীর সূত্রে পাওয়া সম্পত্তি ছেলের নামে লিখে দেওয়ার জন্য আমার ওপর শারীরিক অত্যাচার করে। তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মিথ্যা মামলা দিয়ে জেল খাটায়। বিদ্যালয়ের ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করে মানববন্ধন করিয়ে মিথ্যাচার করে। এই বৃদ্ধা মা কান্নাকন্ঠে বলেন, পূর্বের ঘটনায় যদি আমার ছেলের বিচার হতো, তাহলে সে আজ আমাকে বাড়ি ছাড়া করার সাহস পেতো না। সরকার ও প্রশাসনের কাছে তার যথাযথ বিচার চাই। চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহীন মিয়া জানান, বৃদ্ধা মা তার দুই ছেলে সহ এক বাড়িতে বসবান করেন। ঘর তোলাকে কেন্দ্র করে ওই বৃদ্ধা নারীর বড় ছেলে মারধরের শিকার হয়। এ ঘটনায় মা সহ চারজনকে আসামিকে করে মা দায়ের করে ভুক্তভোগীর স্ত্রী। ওই মামলায় মা সহ দ্জুনকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয়। পরে বৃদ্ধা মা জামিনে আসেন।


চাচীকে ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে কুপিয়ে হত্যা, অভিযুক্তের ফাঁসির দাবিতে মানবববন্ধন-বিক্ষোভ
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের আবদুল্যাপুর গ্রামে চাচীকে ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত কিশোরের ফাঁসির দাবিতে মানবববন্ধন, বিক্ষোভ-সমাবেশ ও সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। সোমবার বেলা ১২টায় নোয়াখালী প্রেসক্লাবের সামনের সড়কে আবদুল্যাপুর ছাত্র ও যুব সমাজের ব্যানারে আয়োজিত মানবববন্ধন ও বিক্ষোভ-সমাবেশ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। এ সময় সমাবেশে বক্তারা বলেন, বেগমগঞ্জ উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের আবদুল্যাপুর গ্রামে নিহত তাজ নাহার বেগম সম্পর্কে অভিযুক্ত ইমরান খাঁন আকাশ ওরফে রাহুলের (১৯) চাচি হন। মাদকাসক্ত রাহুল প্রায় সময় চাচিকে উক্তত্য করতো। গত ৩০ অক্টোবর রাতে রাহুল তার সহযোগীদের নিয়ে তাজ নাহারকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। এতে ব্যর্থ হয়ে ওই নারীর শরীরের বিভিন্ন স্থানে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে তারা। আশংকাজনক অবস্থায় তাজ নাহারকে ঢাকায় পাঠানো হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের পর রাহুল ও তার মাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে রাহুলের মা নিলুফা জাহান রত্মা জামিনে জেল থেকে বেরিয়ে আসেন। সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, একটি মহল অভিযুক্ত রাহুলকে অপ্রাপ্তবয়স্ক সাজানোর চেষ্টা করে আসছে এবং মামলা তুলে নেওয়ার জন্য নিহত তাজ নাহারের মেয়েদের চাপ দিয়ে আসছে। তাদের কোনো অভিভাবক না থাকায় স্থানীয় ছাত্র-জনতা অভিযুক্ত রাহুলের ফাঁসিও তার সহযোগীদের গ্রেপ্তারপূর্বক সের্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান। মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ শেষে নোয়াখালী প্রেসক্লাবে সাংবাদ সম্মেলন আয়োজন করা হয়। এতে বক্তব্য রাখেন নিহত তাজ নাহার বেগমের মেয়ে ইসরাত জাহান ইসু, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নোবিপ্রবির সমন্বয়ক হাসিব আহমেদ আসিফ, নোয়াখালী জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক ফরহাদুল ইসলাম ও নোয়াখালী সরকারি কলেজের ছাত্র আক্তারুজ্জামান তারেকসহ অনেকে। এ বিষয়ে বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিটন দেওয়ান বলেন, কুতুবপুর ইউনিয়নের আবদুল্যাপুর গ্রামে চাচীকে ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় মামলা নেওয়া হয়েছে এবং আসামি গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্ত শেষে খুব অল্প সময়ের মধ্যে আদালতে অভিযোপত্র জমা দেওয়া হবে।

নির্বাচনের ডেডলাইন দিতে এত দ্বিধা এত সংকোচ কেন : বেগমগঞ্জের জনসভায় রিজভী
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী অন্তর্ববর্তী সরকারকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, নির্বাচনের ডেটলাইন দিতে আপনাদের মধ্যে এতো দ্বিধা এতো সংকোচ কেন। তিনি বলেন, ৫ আগস্টের চেতনাকে ধারণ করতে পারছেননা। তাই স্বৈরাচারের আরেক লোককে আপনারা বসিয়ে রেখেছেন। আপনারা বিভিন্ন জায়গায় স্বৈরাচারের দোসরদের বসিয়ে রেখেছেন। তারাতো আপনাকে ব্যর্থ করবেই। গতকাল বিকেল ৫টায় নোয়াখালীর চৌমুহনী রেলওয়ে ময়দানে আয়োজিত জনসমাবেশে প্রধান অতিথির ব্ক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। বেগমগঞ্জ উপজেলা, চৌমুহনী পৌরসভা বিএনপি, অঙ্গও সহযোগী সংগঠন ঐতিহাসিক ৭নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষ্যে এই কর্মসূচির আয়োজন করেন। সমাবেশের উদ্বোধন করেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্যাহ বুলু। নতুন উপদেষ্টা বানানোর প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, আপনি আবার নতুন কিছু উপদেষ্টা করেছেন। নতুন উপদেষ্টা করার অধিকার আপনার আছে। কিন্ত গণতান্ত্রিক আন্দোলনের অংশীজন যারা তাদেরতো একটা অভিমত নেয়া দরকার ছিল। যে মেয়েটি বিতর্কিত শেখ মুজিবের বায়োপিক ছবিতে অভিনয় করেছে। আপনারা তার স্বামীকে উপদেষ্টা বানিয়েছেন। অন্তর্বর্তী সরকারে বিএনপির সমর্থ রয়েছে বলে রিজভী বলেন, আপনি জনগণের সমর্থন নিয়ে আপনারা সরকার হয়েছেন। আপনাকে বিএনপি সমর্থন করেছে। যারা গণতন্ত্রের জন্য আন্দোলন করেছে তারা সমর্থন দিয়েছে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্ররা সমর্থন দিয়েছে। কিন্ত আমরাতো আপনাদেরকেই সমর্থন করে যাচ্ছি। কিন্তু মাঝে মাঝে কথা বলতে হয় কেন। তিনি বলেন, আলুর কেজি কেন হবে ৭৫-৮০ টাকা। আলুর দাম নিয়ন্ত্রণ করতে পারছেন না কেন। আপনি সিন্ডিকেটবাজদের কেন গ্রেপ্তার করতে পারছেনান। দুর্বলতা কোথায় এটা একটু জানতে চাই। এটাতো অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে মানুষের কাম্য নই। কেন এটা বাড়ছে, মানুষতো অনেক ধরনের প্রশ্ন করে। অন্তর্বর্তী সরকারেক উদ্দেশ্য করে রিজভী আরও বলেন, আপনি নির্বাচনের কথা বলেন, কিন্ত নির্বাচনের কোন ডেটলাইন দেন না। কিন্ত এটা কেন। এটাতো রহস্যজনক। আপনারা সংস্কার করবেন। সবাই মনে করে অন্তবর্তীকালীন কি, স্কুলের হেডমাস্টার। আপনারা সংস্কারের একটা পাট দিবেন। সেটা তৈরি করে, সিলেবাস তৈরি করবেন,সিলেবাস তৈরি করে রাজনৈতিক দল গুলোকে আগে শিক্ষা দান করবেন। মনে হচ্ছে এটা তাদের ইচ্ছা। তারা এখন স্কুলের হেডমাস্টার বা শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করছেন। আপনারা মনে করছেন বিএনপির লোক যারা গণতান্ত্রিক আন্দোলনে আছে তারা অশিক্ষিত। আমরা তোমাদেরকে আগে সংস্কার শিখাই, সংস্কার শিখাই, তারপর তোমরা নির্বাচনের কথা বল। এক উপদেষ্টার বক্তব্যের জবাবে রিজভী বলেন, তাদের একজন উপদেষ্টা বলছে, খালি নির্বাচন, নির্বাচন করলে হবে। উপদেষ্টাকে বলি আপনি কি হেডমাস্টার। আপনি আগে শিক্ষা দিবেন তারপর আমরা শিখব,পড়াশুনা করব। আমরা কি জানিনা সংস্কার কি। আপনারা প্রস্তাব দিতে পারেন। সেই প্রস্তাবটা দেবেন নির্বাচিত সরকারে কাছে। এ জন্য নির্বাচন দিন। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কঠোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, সারা দেশের মানুষ জেগে উঠেছে বলেই হাসিনার মতো এত নির্মম, নিষ্ঠুর, এত রক্ত নিংড়ানো একটি স্বৈরাচারকে পরাজিত করা সম্ভব হয়েছে। শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে মনে করেছে তার বাপের জমিদারি। আর এই জমিদারি রক্ষার্থে সে দেশের জনগণকে জনগণ মনে করতনা। চাকর-বাকর মনে করত। জনগণকে চাকর-বাকর মনে করত বলে যারা প্রতিবাদ করেছে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে তীব্র ভাষায় বক্তব্য রেখেছে, যারা মিছিল করেছে, জনসভা করেছে, স্লোগান দিয়েছে তাদেরকে সে শান্তিতে থাকতে দেয়নি। কাউকে অদৃশ্য করে দিয়েছে চিরদিনের জন্য, কাউকে বিচার বর্হিভূত হত্যার শিকার করিয়েছে। এই দানবকে বাংলাদেশর ছাত্ররা বিতাড়িত করেছে। শেখ হাসিনা সরকারের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের উদ্ধৃতি টেনে তিনি বলেন, শেখ হাসিনা বাপের বাড়ি থেকে স্বামীর বাড়িতে (ভারত) আপনি কী কী নিয়ে গেছেন। অভিযোগ করে বলেন, ভারতের আদানির সাথে বিদ্যুতের অস্বাভাবিক দামে চুক্তি করেছে শেখ হাসিনা সরকার। যারা বিদ্যুতের সিন্ডিকেট করেছে,বাজারে বিভিন্ন ভাবে সিন্ডিকেট করেছে। সেই সিন্ডিকেটের টাকা কি আপনি আপনার স্বামীর বাড়িতে নিয়ে গেছেন। এটা জনগণের জিজ্ঞাসা, এটাই জনগণ আজকে জানতে চায়। আমরা বিদ্যুতের টাকা পাচার হওয়ার কথা শুনেছি, মেট্রোরেলের টাকা পাচার হওয়ার কথা শুনেছি। মেগা প্রজেক্টের অর্থ আত্মসাৎ হওয়ার কথা শুনেছি। আপনি দুর্নীতি করে নিজের লোকদের মধ্যে টাকা ভাগ করে টাকা গুলো পাচার করে দিয়েছেন। যার খেসারত জনগণকে দিতে হচ্ছে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে দিতে হচ্ছে। সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম, বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মীর হেলাল, নোয়াখালী জেলা বিএনপির সভাপতি গোলাম হায়দার বিএসসি, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুর রহীম, অ্যাডভোকেট এবিএম জাকারিয়া, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুর রহমান, জেলা বিএনপির সদস্য শামীমা বরকত লাকী, চৌমুহনী পৌরসভা বিএনপির সভাপতি জহির উদ্দিন হারুন। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বেগমগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি কামাক্ষ্যা চন্দ্র দাস। এ সময় নোয়াখালী জেলা বিএনপির সদস্য গোলাম মোমিত ফয়সাল, বেগমগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো.মাহফুজুল হক আবেদ, চৌমুহনী পৌরসভা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো.মহসিন আলম উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে আন্দোলন সংগ্রামে নিহত ও আহত নেতাকর্মীদের মাঝে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তা দেয়া হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category