সবুজবাংলা২৪ডটকম, পলাশবাড়ী (গাইবান্ধা) : গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে ১৬ মাস আগে উদ্বোধন হয় উপজেলার মডেল মসজিদটি।কিন্তু এতদিনেও নামাজসহ অন্যান্য কার্যক্রম চালু হয়নি। প্রশাসনের দাবি গণপূর্ত বিভাগের গাফিলতির জন্য সম্ভব হচ্ছে না নামাজ চালু করা। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ কামরুল হাসান বলেন- মসজিদের বেশ কিছু কাজ এখনো অসম্পূর্ণ আছে। সেগুলোর বিষয়ে গণপূর্ত বিভাগে জানানো হয়েছে কিন্তু তারাই এ কাজে গড়িমসি করছে। যেহেতু কাজ অসম্পূর্ণ সেহেতু নামাজ চালু করা সম্ভব হচ্ছে না।
এর মধ্যে আবার আটকে আছে নিয়োগ প্রক্রিয়া। ইমাম, মোয়াজ্জিন এবং খাদিম পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছিলো কিন্তু দীর্ঘদিন পেরিয়ে গেলেও গণপূর্ত বিভাগ মসজিদ টি আমাদের কে এখনো হস্তান্তর না করায় নিয়োগ টি আপাতত স্থগিত করা হয়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, এখনও বেশ কিছু কাজ অসম্পূর্ণ রয়েছে। রং করা এবং দরজা জানালারও কাজ বাকি রয়েছে।এসবসহ আরো বেশ কিছু কাজ অসম্পূর্ণ দেখতে পাওয়া যায়। মোটকথা এলোমেলো অবস্থা বিরাজ করছে।
এ বিষয়ে আরো বিস্তর জানতে গণপূর্ত বিভাগ,গাইবান্ধা, নির্বাহী প্রকৌশলী এস,এম রফিকুল হাসান এর মুঠোফোন( ০১৮৮২ ১১৫৩৩০) এ একাধিক বার ফোন করে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে রিং হলেও তিনি তার মুঠোফোন টি ধরেন নি।
উল্লেখ্য,নির্মাণকাজ অসম্পূর্ণ রেখে পলাশবাড়ী উপজেলা মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের শুভ-উদ্বোধন করা হয়েছে (৩০-০৭-২৩ইং) তারিখে সারাদেশের ন্যায় ৫ম পর্যায়ে নির্মানাধীন ৫০টি মডেল মসজিদ উদ্বোধনের অংশ হিসেবে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে শুভ-উদ্বোধন করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
এ উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ১৬ কোটি টাকা ব্যয়ে পলাশবাড়ী পৌরশহরের অফিসেরহাটে নির্মিত মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের হলরুমে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মসজিদের ফলক উম্মোচন করেন সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাড. উম্মে কুলসুম স্মৃতি।
উদ্বোধনের ১৬ মাস পার হলেও অবহেলায় পড়ে আছে পলাশবাড়ী উপজেলার মডেল মসজিদটি।
ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ও মুসল্লিরা অসম্পূর্ণ কাজ দ্রুত শেষ করে নামাজ আদায়ের জন্য মসজিদ টি খুলে দেয়ার জোর দাবি জানান সংশ্লিষ্ট দায়িত্বহীন কর্তাব্যক্তির উপর।
পলাশবাড়ীতে স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচী পালিত
ছাত্র জনতার উপর হামলা চালিয়ে গণহত্যাকারী খুনি হাসিনাসহ তার দোসরদের বিচারের দাবীতে গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে উপজেলা ও পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আয়োজনে বিক্ষোভ মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচী পালিত হয়েছে।
১০ নভেম্বর রবিবার বিকালে পলাশবাড়ী পৌর শহরের বিভিন্ন সড়কে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়াও পৌর শহরের চৌমাথা মোড়সহ সকল মোড় গুলোতে বিভিন্ন শ্লোগান দিয়ে অবস্থান করে নেতাকর্মীরা। পরে পৌর শহরের তিন মাথা মোড়ে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মমিনুল ইসলাম মমিন মন্ডলের সভাপতিত্বে ও পৌর আহবায়ক শামীম রেজার পরিচালনায় এ অবস্থান কর্মসূচীতে বক্তব্য রাখেন পলাশবাড়ী পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল মোত্তালেব সরকার বকুল,জেলা ছাত্রদলের সহ সভাপতি ও স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মিল্লাত সরকার মিলন, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান নিক্সন,সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল ইসলাম লিয়াকত।
এতে আরো বক্তব্য রাখেন উপজেলা স্বেচ্ছা সেবক দলের যুগ্ন আহবায়ক শরিফুল ইসলাম,ফিরোজ কবির,আশরাফুল ইসলাম, আরিফ হোসেন মুন্সি, সদস্য সচিব লিফেজ সরকার, সদস্য জাকিরুল মন্ডল, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ন আহবায়ক হযরত আলী স্বপন, সদস্য সচিব ইমরান হাসান,মৎস্যজীবী দলের সভাপতি শামিম আহম্মেদ,সাধারণ সম্পাদক হেলাল সরকার,পৌর শাখার আহবায়ক এপ্রিল মন্ডল, সদস্য সচিব মামুন মিয়া,উপজেলা জাসাসের আহবায়ক নাজমুল সরকার হানিফ, সদস্য সচিব সবুজ সরকার, জাসাসের পৌর আহবায়ক আল আমিন সরকার,সদস্য সচিব ফরহাদ কবির পিন্টু, উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক আরিয়ান সরকার আরিফ,পৌর আহবায়ক শাওন সরকার, সদস্য সচিব আকাশ কবির পায়েল,১ নং কিশোরগাড়ী ইউনিয়ন আহবায়ক সানারুল, সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক হযরত আলী,সদস্য সচিব সুমন মিয়া,মহদীপুর আহবায়ক বাবলু মিয়া,যুগ্ন আহবায়ক শরিফ মাষ্টার,সদস্য সচিব শাহজালাল সরকারসহ অন্যান্যরা।
এসময় বক্তারা,ছাত্র জনতার উপর হামলা চালিয়ে গণহত্যাকারী খুনি হাসিনাসহ তার দোসরদের বিচারের দাবী জানিয়ে যেকোন ষরযন্ত্র মোকাবেলায় দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষ সজাগ থাকার আহবান জানান।