সবুজবাংলা২৪ডটকম, নোয়াখালী : নোয়াখালীতে ঐতিহাসিক ‘বিপ্লব ও সংহতি’ দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত নোয়াখালী জেলা শহরের মাইজদী শহীদ ভুলু স্টেডিয়ামের সামনে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে সদর ও সূবর্ণচর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের হাজার হাজার নেতাকর্মীরা মাইজদী প্রধান সড়কে সমবেত হয়েছেন। নোয়াখালী জেলা বিএনপির সভাপতি গোলাম হায়দার বিএসসির সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক সংসদ সদস্য মোঃ শাহজাহান। এরপর আলোচনা সভা শেষে শহীদ ভুলু স্টেডিয়ামের সামনে থেকে মোঃ শাহজাহান ভাইয়ের নেতৃত্বে একটি র্যালি বের হয়ে প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে মফিজ প্লাজার সামনে গিয়ে শেষ হয়। এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আবদুর রহমান, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ভিপি জসিম, পৌর বিএনপির সভাপতি আবু নাছের, জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ও জেলা জাসাসের সভাপতি লিয়াকত আলী খান, জেলা বিএনপির দফতর সম্পাদক ওমর ফারুক টপি, জেলা সেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান, উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক ওমর ফারুক অভি, এওজবালিয়া ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক মোহাম্মদ ইউসুফ সহ আরো অনেকে।
নোয়াখালীতে বাল্যবিবাহ পণ্ড, কনে পক্ষের জরিমানা
নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে এক কিশোরীকে বাল্যবিবাহ বন্ধ করা হয়েছে। আজ শুক্রবার দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার নাটেশ্বর ইউনিয়নের ঘোষকামতা গ্রামের আলম কমিউনিটি সেন্টারে এই ঘটনা ঘটে। বাল্যবিবাহের খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও সোনাইমুড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাছরিন আক্তার সেখানে অভিযান চালায়। পরে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘটতে যাওয়া বিয়েটি বন্ধ করা হয়। এ সময় কনের জেঠাকে শাস্তি স্বরূপ জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। সোনাইমুড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাছরিন আক্তার বলেন, গোপন খবর পেয়ে উপজেলার নাটেশ্বর ইউনিয়নের ঘোষকামতা গ্রামের আলম কমিউনিটি সেন্টারে অভিযান চালানো হয়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে অভিযোগের সত্যতা পেয়ে তাৎক্ষণিক বিয়ে বন্ধ করে দেয়া হয়। পরে বাল্যবিবাহ নিরোধ আইনে কনের জেঠা মো. ফয়েজ উল্যাহকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে মেয়ের বয়স ১৮ না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দেবেন না মর্মে মুচলেকাও নেয়া হয়। ইউএনও আরও বলেন, ওই কিশোরীর বাবা একজন প্রবাসী। অভিযানে কিশোরীর বয়স প্রমাণের কাগজপত্র চাইলে পরিবারের লোকজন তা দেখাতে ব্যর্থ হয়। যে কারণে বিয়ে বন্ধ করা হয়েছে।