• মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:৩৪ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম :
৪৬তম বিসিএসের ফল প্রকাশ, ১৪৫৭ জনকে নিয়োগের সুপারিশ নির্বাচনের আগের দিন দূরপাল্লার বাস চলবে : মালিক সমিতি গুম-খুন ও দুর্নীতি-লুটপাটে জড়িত সব অপরাধীর বিচার করা হবে: নাহিদ ইসলাম ঢাকা-১০ আসনের উদ্যোগে মহিলা কর্মীদের অংশগ্রহণে বিশাল নির্বাচনী মিছিল অনুষ্ঠিত জিয়া নগরের প্রতিটি পরতে পরতে আল্লামা সাঈদীর ঘ্রাণ লেগে আছে: মাসুদ সাঈদী গোপালগঞ্জ-২ আসনের সতন্ত্র প্রার্থী শিপন ভুইয়ার উপর গুলির অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন নরসিংদী-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী খায়রুল কবির খোকন এর নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা ভোটে বাধা দিলে হাত মুচড়িয়ে দেবেন: আমীরে জামায় নরসংিদীর চরাঞ্চলে যৌথ বাহনিীর টহল, দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার সরকারি প্রতিষ্ঠানে কোনো দুর্নীতি থাকবে না : প্রধান উপদেষ্টা

নোয়াখালীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে নোয়াখালী ক্লাব ঢাকা লিমিটেড এর ত্রাণ উপহার সামগ্রী বিতরণ

একেএম শাহজাহান :
Update : শনিবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

সবুজবাংলা২৪ডটকম, নোয়াখালী : বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৩ হাজার পরিবারের মাঝে প্রায় ৩৫ লক্ষ টাকার খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছে নোয়াখালী ঢাকাস্থ ক্লাব লিমিটেড। ভয়াবহ বন্যায় প্লাবিত ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের নোয়াখালীর চিত্র গণমাধ্যমে প্রকাশ করা হলে বিশ্ববাসীর নজরে আসে নোয়াখালীর আপামর সাধারণ জনগণের কথা। বাড়ি ঘর ছেড়ে অনেকেই বিভিন্ন স্থানে আশ্রয় নিয়ে অতি কষ্টের জীবন যাপন করছে। এই প্রতিনিধি নোয়াখালী পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা অত্র এলাকায় প্রায় ১৫০ পরিবার বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ এই ছাড়া অত্র এলাকায় বহু নারী-পুরুষ, শিশু নানা রোগে আক্রান্ত। এদের ঘরের পানি সরে গেলেও বাহিরে রাস্তায় একহাটুর উপর পানি এখনো আছে। কয়েক দিনে বন্যার প্লাবিত পানি কমতে শুরু করলে মানুষের কষ্ট লাঘব হয়নি। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দেশ বিদেশের মানুষ সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। তারেই ধারাবাহিকতায়, ঢাকাসহ নোয়াখালী ক্লাব লিমিটেড এর উদ্যেগে আজ শুক্রবার (২০সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় নোয়াখালী জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে সদর উপজেলার কাদির হানিফ ইউনিয়ন পরিষদের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৩ হাজার পরিবারের মাঝে প্রায় ৩৫ লক্ষ টাকার খাদ্য সামগ্রীর উপহার বিতরণ করা হয়েছে। এ সময় উপহার সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, নোয়াখালীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা) মো.ইয়াছিন, ঢাকাস্থ নোয়াখালী ক্লাব এর ট্রেজারার মো.কামাল উদ্দিন, সদস্য মো.সামছুদ্দীন আহমেদ সেলিম, মো.তোফাজ্জল হোসেন, মো.আবুল কালাম আজাদ, মো.মাহফুজুর রহমান কিরণ, মো.সেলিম চৌধুরী, মো.জাকের হোসেন পারভেজ, মো.সালাহউদ্দিন, মো.আহাম্মদ উল্যাহ, মো.আইয়ুব উল্যাহ, মো.ফজলে আজিম সুধন, মো.হাজী ইসমাইল চৌধুরী, মো.গোলাম জিলানী দিদার প্রমুখ। নোয়াখালী ক্লাব ঢাকাস্থ ইসি কমিটির কর্মকর্তাগণ এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় জেলায় কর্মরত সাংবাদিকগন উপস্থিত ছিলেন।

নোয়াখালীতে প্রধান শিক্ষককে অবরুদ্ধ করে পদত্যাগে বাধ্য, আহত-১
নোয়াখালী সদর উপজেলার এম,এ রশিদ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রুনা আক্তারকে অভিনব কৌশলে পদত্যাগে বাধ্য করাতে অবরুদ্ধ করার ঘটনা সংঘটিত হয় গতাকাল ১৯ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায়। সংঘটিত এই ঘটনার ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যাক্ত করেছে বিদ্যালয়ের কয়েক শতাধিক শিক্ষার্থী এবং শিক্ষকরা।বিদ্যালয়ের সংঘর্ষের খবর পেয়ে দ্রুত ঘটানাস্থলে ছুটে আসেন সদর উপজেলার মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শামীমা জাহান।এবিষয়ে প্রধান শিক্ষক রুনা আক্তার সাংবাদিকদের জানান, বিদ্যালয় চলাকালীন সময়ে দশম শ্রেনীর কয়েকজন শিক্ষার্থী আমার রুমে প্রবেশ করে মায়ের সাথে জরুরি কথা আছে বলে মুঠোফোন চায়।তাদের হাতে মুঠোফোন দিলে তাৎক্ষণিকভাবে তারা রুমের দরজা বন্ধ করে আমার সামনে একট পদত্যাগপত্র পেশ করে এতে স্বাক্ষর দিতে চাপ দিতে থাকে।ঘটনার আকস্মিকতায় এবং উপস্থিত ছাত্রীদের যুদ্ধাংদেহী মনোভাব পরিলক্ষিত হলে আমি বাঁচাও বাঁচাও বলে চিৎকার দিতে দিতে ভীড় ঠেলে বন্ধ দরজা খুলে ফেলি।এসময় আমার চিৎকার শুনে বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও আমার শিক্ষকরা এগিয়ে আসেন।এসময় উপস্থিত শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা বলেন,প্রধান শিক্ষকের চিৎকারে আমরা ক্লাসরুম থেকে বেরিয়ে এসে তাকে অবরুদ্ধ করার ঘটনা সম্পর্কে জানতে এবং তাকে উদ্ধার করতে গিয়ে হেনস্তার শিকার হয়েছি।এসময় শায়েলা আক্তার নামে ৭ম শ্রেনীর একজন ছাত্রীকে অবরুদ্ধকারীরা এলোপাতাড়ি কিল ঘুসি মেরে মাটিতে ফেলে পালিয়ে যায়।পালিয়ে যাওয়ার সময় প্রধান শিক্ষকের মুঠোফোনটি সাথে করে নিয়ে যায়। ঘটনার পরপরই স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির জরুরি সভা আহ্বান করে।ম্যানেজিং কমিটির সদস্য মেঃ সোহাগ জানান ঘটনার বিষয়ে আমরা একটি তদন্ত কমিটি করবো। কারা, কি কারণে, এবং কাদের ইন্ধনে গুটিকয়েক শিক্ষার্থীরা ন্যাক্কারজনক কাজটি করেছে?হঠাৎ আন্দোলন ও প্রধান শিক্ষকের পদত্যাগের ইস্যু নিয়ে আন্দোলনকারী কয়েকজন শিক্ষার্থীর সাথে কথা হলে তাঁরা জানায়, দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সমস্যার কথা প্রধান শিক্ষককে বলার পরও তিনি কার্যকর কোনো ব্যবস্থা গ্রহন করেননি।উপরন্তু নানান বিষয়ে উক্ত প্রধান শিক্ষক কালক্ষেপণ করছিলেন। কি ধরনের সমস্যার সম্মুখীন এবং কতদিন ধরে দাবি মানছে না এমন প্রশ্নে আন্দোলনকারীরা কেউই সদুত্তর দিতে পারেনি।পরিস্থিতি উত্তরনে মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ছাড়াও,অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) জেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি,এবং সদর উপজেলার শিক্ষক সমিতি সদস্যরা আন্দোলনকারীদের নিয়ে বসার উদ্যাগে গ্রহন করেছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category