• রবিবার, ১৪ জুলাই ২০২৪, ০৯:৫৩ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম
ফুটবলের উন্নয়নে সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী কোটাবিরোধীদের আন্দোলন থামানো উচিত : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও জেলাকে শিশুশ্রমমুক্ত ঘোষণা প্রক্রিয়াধীন : শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নোয়াখালীর মেঘনায় অজ্ঞাত যুবকের লাশ রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরুতে ইতিবাচক মিয়ানমার শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে স্বাধীনতাবিরোধীরা ভর করেছে : ওবায়দুল কাদের ক্ষমতাচ্যুত হলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী সরকার চাইলে কোটা পরিবর্তন-পরিবর্ধন করতে পারবে : হাইকোর্ট ছাত্রদের বোঝা উচিত, রায় যখন নেই তাহলে আন্দোলন কেন? ফল সেমিস্টারের শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানাল ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি

দাকোপে ডিগ্রী কলেজ, বালিকা বিদ্যালয় এবং প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন নির্মন ৫৯ বছরেও সম্ভব হয়নি

জি এম জাকির হোসেন : / ৫৬ Time View
Update : রবিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪

সবুজবাংলা২৪ডটকম, দাকোপ (খুলনা) : দাকোপ উপজেলার বাজুয়া মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, সুরেন্দ্র নাথ ডিগ্রী কলেজ ও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে উন্নত মানের ভবন বিহীন টিন সেড ভবনে চলছে ৬ হাজার শিক্ষার্থীদের পাঠ দান। চরম ভোগান্তির শিকারে রয়েছে শিক্ষক শিক্ষার্থীরা। তিনটি প্রতিষ্টানে প্রায় ৬ হাজার শিক্ষার্থী নিয়ে শিক্ষক মন্ডলিদের পাট পরিচালনা করতে হচ্ছে। তার মধ্যে সুরেন্দ্র নাথ ডিগ্রি কলেজে শিখ্কার্থীর সংখ্যা ৫ হাজার বালিকা মাধ্যমিকবিদ্যালয় ৬ শতাধিক এবং প্রথমিক বিদ্যালয় রয়েছে ৪ শতাধিক ছাএ ছাত্রী।এসকল শিক্ষার্থীদের নিয়ে শিক্ষক মন্ডলিদের ক্লাস করতে হয়। কারন জানতে চাইলে প্রিন্সিপল শ্যামল কুমার রায় জানায় ১৯২০ স্থপতি এই কলেজ থেকে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে। সচিবালয় সরকারি বেসকারি বিভিন্ন এনজিওর চাকরি করে আসছেন হাজারো শিক্ষার্থীরা। একটি টিন সেট ভবন একটি ফেসিলিটিস ভবন যেখানে শিক্ষার্থীদের সংক্লোন হয় না। অতি কষ্ঠে চলে আসছে শিক্ষার্থীদের পাঠদান।বিষয় টি স্হানিয় সরকার জাতীয় সংসদ সদস্য শিক্ষা অধীদপ্তর সহ বহু পত্র পত্রিকায় প্রকাশ করা হলে ও কোন সুফল আশা করতে পারেননাই সুরেন্দনাত কলেজ।এছাড়াও বাজুয়া বালিকা বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক সূত্রে জানা যায়। ১৯৬৪ ইং সালে স্থপিত প্রতিষ্ঠাতা সুরেন্দ্রনাথ রায় ভুমি দাতা হিসাবে প্রতিষ্ঠান টি খারা করেছিল বাজুয়া প্রান কেন্দে দূঃখের বিষয় উন্নত মানের ভবনের ব্যবস্থা আজও হয়নি। বর্তমান শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৩১০ জন শিক্ষার্থী ১৭ জন শিক্ষক কর্মচারী রয়েছে। যে প্রতিষ্ঠানে প্রতি বছরে। এস সি উপকেন্দ্র হিসাবে ব্যবহারি হয়। সেখানে আনুমানিক আরো ৩০০ শতাধিক শিক্ষার্থী উক্ত ভেনুতে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে থাকেন। যানা গেছে বিদ্যালয় এর একাডেমীক ভবনের সম্প্রসারণ একান্ত প্রয়োজন দাকোপ উপজেলার সর্বপ্রথম নারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্থাপিত হয়। অনেক দেন দরবারের পর প্রতিষ্ঠানে ২০১০ সালে একা ডেমিক ভবনে তিন তালা ফাউন্ডেশনে তিন রুম বিশিষ্ট এক তালা ভবনের ব্যবস্থা করা হয়েছে বটে। কিন্তু বিগত বছর গুলো ধরে চলে আসছে শিক্ষক শিক্ষার্থীদের চরম দুর্ভোগ। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় সরকার শিক্ষা অধিদপ্তর জাতীয় সংসদ সদস্য সহ, একাডেমিক অধিদপ্তরকে অবহিত করা শর্তেও এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দিকে কারো কোনো নজর না থাকায়। অভিভাবক মন্ডলীরা কর্তৃপক্ষের নিকট থেকে আস্থা হারিয়ে ফেলেছে। বাংলাদেশ সরকার বিভিন্ন মহিলা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উন্নাত মানের ভবনের ব্যবস্থা করেছেন। যে প্রতিষ্ঠানে থেকে সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান চাকরি করে আসছেন হাজারো শিক্ষার্থী। এছারা সুরেন্দ্র নাথ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের একই দাবি তাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ১৯২০ সালে স্হপিত হলেও শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৩৩৮ জন শিক্ষক মন্ডলি রয়েছে ৯জন জরাজীর্ণ ভবনে চলছে তাদের শিক্ষা কয্যক্রম। পশুর নদীর তীরে ভয়াবহ নদী ভাঙ্গনের আতংকে এলাকার মানুষ নিন্মাচাপ জলোচ্ছ্বাস এলেই ছাত্রীদের কোথাও ঠাই নেওয়ার সুযোগ নেই। একটু সু নজর রাখার জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে জোর দাবি জানায় স্হানীয় স্কুলের অবিভাবক মন্ডলিরা।

বিজ্ঞাপন

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Categories