• রবিবার, ১৪ জুলাই ২০২৪, ০৪:৪০ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম
৭৭ প্রতিষ্ঠানকে জাতীয় রপ্তানি ট্রফি তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী ভিকারুননিসার ১৬৯ শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিলের আদেশ বহাল ট্রাম্পের ওপর হত্যাচেষ্টা হয়েছে: এফবিআই আদ্-দ্বীন উইমেন্স মেডিকেল কলেজে পোস্ট গ্রাজুয়েশন কোর্সের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠান ফুটবলের উন্নয়নে সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী কোটাবিরোধীদের আন্দোলন থামানো উচিত : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও জেলাকে শিশুশ্রমমুক্ত ঘোষণা প্রক্রিয়াধীন : শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নোয়াখালীর মেঘনায় অজ্ঞাত যুবকের লাশ রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরুতে ইতিবাচক মিয়ানমার শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে স্বাধীনতাবিরোধীরা ভর করেছে : ওবায়দুল কাদের

ছুটির দিনে বইমেলায় ‘তিল ধারণের ঠাঁই নেই’

নিজস্ব প্রতিবেদক : / ৬৯ Time View
Update : শুক্রবার, ৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪

সবুজবাংলা২৪ডটকম, ঢাকা : দুচোখ যেদিকে যায় শুধু মানুষ আর মানুষ। দেখলে মনে হবে কোনো বিশেষ অনুষ্ঠান ঘিরে এই গণমানুষের সমাগম। সবার চোখে মুখে আনন্দ আর পোশাক পরিচ্ছদেও উৎসবের ছাপ। চিত্রটি অমর একুশে বইমেলা-২০২৪ এর। চলছে বইমেলার ৯ম দিন। দিনটি শুক্রবার হওয়ায় বেলা ১১টা থেকেই শুরু হয় মেলা। ফলে সকাল থেকেই এখানে জড়ো হচ্ছেন নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ। বেলা গড়িয়ে বিকেল হতেই বই মেলায় পা ফেলার জায়গাটুকু পাওয়া কঠিন হয়ে যায়। তিল ধারণের ঠাঁই নেই বললেই চলে এখানে।
শুক্রবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান মেলা প্রাঙ্গণে ঘুরে এমন চিত্রই লক্ষ্য করা গেছে। সরেজমিনে দেখা যায়, মেলার সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও রমনা কালী মন্দির গেটে মানুষের ঢল নেমেছে। দলে দলে মানুষ ভেতরে প্রবেশ করছেন। টিএসসি থেকে গেট দিয়ে প্রবেশ করে মূল প্রাঙ্গণে যেতেই অন্তত ১৫-২০ মিনিট সময় লাগছে দর্শনার্থীদের। মানুষের অতিরিক্ত চাপ থাকায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও হিমশিম খাচ্ছেন নিরাপত্তা কর্মীরা। তাই মানুষ শুধু তল্লাশি যন্ত্রের ভেতর দিয়ে প্রবেশ করছে, ব্যক্তিগতভাবে পুলিশকে কারো ব্যাগ বা শরীর পরীক্ষা করতে দেখা যায়নি।
শুক্রবার দিনটি ছুটির দিন হওয়ায় সবাই নিজের পরিবার, পছন্দের মানুষ ও বন্ধুদের সঙ্গে বইমেলায় ঘুরতে আসেন। সকালে থেকেই নানা বয়সের মানুষ ভিড় জমিয়েছেন মেলা প্রাঙ্গণে। তবে মানুষের অত্যাধিক চাপ থাকায় স্টলগুলোতেও বেশ ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। বই কেনার থেকে বইয়ের সঙ্গে ছবি তোলা ও সেলফিতে মত্ত থাকতেই দেখা গেছে অনেক দর্শনার্থীকে।
মেলায় সবচেয়ে বেশি ভিড় লক্ষ্য করা গেছে শিশুপ্রহরে। ছুটির দিন হিসেবে সকাল থেকেই চত্বরটিতে হালুম, টুকটুকি শিশুদের নিয়ে মেতেছিল। দুপুর থেকে শিশু প্রহরে সিসিমপুর মঞ্চে চালু ছিল শিশুদের নিয়ে নানা আয়োজন। শিশু চত্বরে শিশুদের বিভিন্ন ধরনের বই নিয়ে স্টল সাজিয়েছে বিভিন্ন প্রকাশনীও।
ছুটির দিন হওয়ায় ঘরের চার দেওয়ালের ক্লান্তিঘেরা সময় ভুলতে অভিভাবকরা তাদের বাচ্চাদের নিয়ে এসেছেন আনন্দে মেতে উঠতে।
সাভারের নবীনগর থেকে মেলায় ঘুরতে আসা মেহরাব চৌধুরী মৃদুল বলেন, বইমেলা আমাদের জাতীয় ঐতিহ্যের অংশ। বইমেলা জ্ঞানের একটি আধার। প্রতি বছর বইমেলায় আসি, বই কিনি। তাছাড়া আমার এক বন্ধু এবছর বই বের করেছে। তার সঙ্গে দেখা করে বন্ধুদের নিয়ে ঘুরছি, ভালোই লাগছে।
আজীমপুর থেকে ঘুরতে আসা দর্শনার্থী মোস্তাকিম আহমেদ রাতুল বলেন, প্রতি বছর বইমেলায় আসি। তবে আজকে এত ভিড় জানলে আসতাম না। মানুষের ভিড়ে পা ফেলা যাচ্ছে না। স্বস্তিতে দাঁড়ানো যাচ্ছে না।
বই কিনবেন কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, আজকে কিনব না, অন্য একদিন এসে কিনবো। আজকে এমনিতেই ঘুরতে এসেছি।

বিজ্ঞাপন

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Categories