• রবিবার, ১৪ জুলাই ২০২৪, ০৫:২৯ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম
৭৭ প্রতিষ্ঠানকে জাতীয় রপ্তানি ট্রফি তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী ভিকারুননিসার ১৬৯ শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিলের আদেশ বহাল ট্রাম্পের ওপর হত্যাচেষ্টা হয়েছে: এফবিআই আদ্-দ্বীন উইমেন্স মেডিকেল কলেজে পোস্ট গ্রাজুয়েশন কোর্সের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠান ফুটবলের উন্নয়নে সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী কোটাবিরোধীদের আন্দোলন থামানো উচিত : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও জেলাকে শিশুশ্রমমুক্ত ঘোষণা প্রক্রিয়াধীন : শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নোয়াখালীর মেঘনায় অজ্ঞাত যুবকের লাশ রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরুতে ইতিবাচক মিয়ানমার শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে স্বাধীনতাবিরোধীরা ভর করেছে : ওবায়দুল কাদের

সংসদ নির্বাচনে জনগণ ও গণতন্ত্রের জয় হয়েছে : রাষ্ট্রপতি

নিজস্ব প্রতিবেদক : / ৪১ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৩০ জানুয়ারী, ২০২৪

সবুজবাংলা২৪ডটকম, ঢাকা : দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের জনগণের ও গণতন্ত্রের জয় হয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারি) বিকেল ৩টায় দ্বাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হয়। পরে রাষ্টপতি তার ভাষণে এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের সংবিধান সমুন্নত এবং সংসদীয় গণতন্ত্রের ধারা অব্যাহত রেখে বিভিন্ন দেশি ও বিদেশি ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্পন্ন করার জন্য আমি নির্বাচন কমিশন, জনপ্রশাসন, সশস্ত্রবাহিনী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত বিভিন্ন বাহিনী এবং গণমাধ্যমকে এ বিরাট কর্মযজ্ঞে সহায়তা দেওয়ার জন্য জানাই আন্তরিক ধন্যবাদ। স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগের জন্য সকল ভোটার, বিশেষত নবীন ও মহিলা ভোটারদের জানাই উষ্ণ অভিনন্দন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, নির্বাচন কমিশন কর্তৃক সফলভাবে নির্বাচন পরিচালনার মাধ্যমে দেশে গণতান্ত্রিক শক্তি আরও সুদৃঢ় হয়েছে। নির্বাচনে জয়-পরাজয় থাকবেই, জনগণের রায় মেনে নিয়ে গণতন্ত্রের ধারা অব্যাহত রাখাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। দেশের গণতন্ত্রের জন্য দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে আয়োজন অত্যন্ত যুগান্তকারী ঘটনা, যা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। আমার দৃঢ় বিশ্বাস দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয় হয়েছে দেশের জনগণের, জয় হয়েছে গণতন্ত্রের।
তিনি বলেন, নির্বাচন ঘিরে একটি মহল সহিংসতা ও সংঘাত সৃষ্টি করে গণতন্ত্রের শান্ত-স্নিগ্ধ যাত্রাপথে বাধা সৃষ্টির অপচেষ্টা চালিয়েছিল। তাদের গণতন্ত্রবিরোধী ও সহিংস কর্মকা- সাময়িকভাবে জনগণকে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার মধ্যে রাখলেও গণতন্ত্রের শাণিত চেতনা ভোটারদের ভোটদান থেকে বিরত রাখতে পারেনি।
সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত ও সক্রিয় অংশগ্রহণের জন্যই সরকার ও নির্বাচন কমিশনের সকল পদক্ষেপ সার্থক হয়েছে। নির্বাচন বর্জনকারী দলসমূহ সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে তাদের রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন করেছে। আমি আশা করি, ভবিষ্যতে দেশের রাজনৈতিক দলসমূহ সহিংসতা ও নৈরাজ্যের পথ পরিহার করে সাংবিধানিক অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং জনগণ ও গণতন্ত্রের কল্যাণে অহিংস পন্থায় গঠনমূলক কর্মসূচি পালন করবে। সরকারও এক্ষেত্রে সংযত আচরণ করবে- এটাই সকলের প্রত্যাশা।
তিনি আরও বলেন, ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায় যে, ২০০১ সালের নির্বাচন পরবর্তী দেশে যে নৃশংস সহিংসতা হয়েছিল তা ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি কলঙ্কজনক অধ্যায়। এর মাধ্যমে আমাদের হাজার বছরের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্যকে ভুলুণ্ঠিত করা হয়েছিল।
কিন্তু ২০০৮ সালের নির্বাচনসহ পরবর্তীতে অনুষ্ঠিত সকল নির্বাচনে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের সুস্পষ্ট ও কঠোর নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে আমরা সহিংসতার পুনরাবৃত্তি থেকে মুক্তি পেয়েছি। গণতন্ত্র ও উন্নয়নের নিষ্কণ্টক পথচলার জন্য রাজনৈতিক দলগুলো উদার ও গঠনমূলক মনোভাব নিয়ে জনগণের পাশে দাঁড়াবে এটাই দেশবাসীর প্রত্যাশা।

বিজ্ঞাপন

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Categories