• রবিবার, ১৪ জুলাই ২০২৪, ০৫:২৭ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম
৭৭ প্রতিষ্ঠানকে জাতীয় রপ্তানি ট্রফি তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী ভিকারুননিসার ১৬৯ শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিলের আদেশ বহাল ট্রাম্পের ওপর হত্যাচেষ্টা হয়েছে: এফবিআই আদ্-দ্বীন উইমেন্স মেডিকেল কলেজে পোস্ট গ্রাজুয়েশন কোর্সের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠান ফুটবলের উন্নয়নে সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী কোটাবিরোধীদের আন্দোলন থামানো উচিত : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও জেলাকে শিশুশ্রমমুক্ত ঘোষণা প্রক্রিয়াধীন : শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নোয়াখালীর মেঘনায় অজ্ঞাত যুবকের লাশ রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরুতে ইতিবাচক মিয়ানমার শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে স্বাধীনতাবিরোধীরা ভর করেছে : ওবায়দুল কাদের

নোয়াখালী-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থীর এজেন্টকে গুলি করে হত্যা, গ্রেপ্তার ৩

নিজস্ব প্রতিনিধি : / ৭০ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৬ জানুয়ারী, ২০২৪

সবুজবাংলা২৪ডটকম, নোয়াখালী : নোয়াখালী-২ আসনের (সেনবাগ-সোনাইমুড়ি আংশিক) সোনাইমুড়ীর নাটেশ্বর ইউনিয়নের শহিদুজ্জামান প্রকাশ পলাশ (৩৫) নামে এক যুবককে গুলি করে হত্যার ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন- আহছান উল্যা ওরপে কল্যা হাছান, আকবর হোসেন সোহেল ও মো. মরিজ। শনিবার রাতে নাটেশ্বর ইউনিয়নের পূর্ব মির্জানগর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত পলাশ ওই গ্রামের মৃত জামাল উদ্দিনের ছেলে। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী শারমিন আক্তার বাদী হয়ে রবিবার রাতে অজ্ঞাতনামা কয়েকজনের বিরুদ্ধে সোনাইমুড়ি থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছে। নোয়াখালী-২ আসনের কাঁচি প্রতীকের পরাজিত স্বতন্ত্র প্রার্থী আতাউর রহমান ভুঁইয়া মানিক জানান, নিহত পলাশ তার এজেন্ট ছিলেন এবং তার পক্ষে কাজ করতেন। নির্বাচনের পর সোনাইমুড়ি সেনবাগের বিভিন্ন নেতাকর্মীদের হুমকি দিচ্ছে ও হামলার চেষ্টা করছে প্রতিপক্ষরা। সোনাইমুড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী বলেন, নোয়াখালী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আসাদুজ্জামানের সার্বিক নির্দেশনায় পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে নাটেশ্বর এলাকা হতে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে। আসামিদের প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসায় তারা জানান, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে পরস্পর যোগসাজশে গুলি করে হত্যা করেছে তারা। তিন আসামিকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে এবং পুলিশ সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেছে বলেও জানান তিনি।

সুবর্ণচরে ভোটের রাতে গৃহবধূকে দলবদ্ধধর্ষণ মামলার রায় ৫ ফেব্রুয়ারি
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটের রাতে নোয়াখালীর সুবর্ণচরে গৃহবধূকে গণধর্ষণের অভিযোগে করা মামলার রায় পিছিয়ে এই দিন ধার্য করেছেন আদালত। মঙ্গলবার (১৬ জানুয়ারি) বেলা সোয়া ১১টার দিকে নোয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২এর বিচারক ( জেলা জজ) ফাতেমা ফেরদৌস শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। এরআগে গত ২৯ নভেম্বর অধিকতর যুক্তিতর্ক শেষে রায়ের তারিখ ধার্য করেন বিচারক। ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর সংসদ নির্বাচনের রাতে স্বামী-সন্তানদের বেঁধে রেখে ওই গৃহবধূকে (৪০) মারধর করে দলবদ্ধধর্ষণ করা হয়। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রাতে ঘটনাটি ঘটায় তখন দেশে-বিদেশে ব্যাপক আলোচনায় আসে। নির্যাতনের শিকার নারী চার সন্তানের জননী । তার অভিযোগ ছিল-ভোটকেন্দ্রে থাকা ব্যক্তিদের পছন্দের প্রতীকে ভোট না দেওয়ার জেরে এ ঘটনা ঘটে। জানা যায়, ঘটনার পরদিন ভুক্তভোগী গৃহবধূর স্বামী বাদী হয়ে ৯জনের নাম উল্লেখ করে চরজব্বর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করেন। পরে মামলার তদন্ত শেষে সুবর্ণচর উপজেলা আওয়ামী লীগের বহিষ্কার হওয়া প্রচার সম্পাদক রুহুল আমিন মেম্বারসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) জাকির হোসেন। রায় ঘোষণার আগের দিন রাতে এ নিয়ে কথা হয় নির্যাতিত গৃহবধূর স্বামীর সাথে। তিনি অভিযোগ করে বলেন, তারা বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন। কয়েকটি মোটরসাইকেল নিয়ে কতিপয় ব্যক্তি তাদের সামনে মহড়া দিচ্ছে। বিষয়টি তারা স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে অবহিত করেছেন। ওসি বলেছে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা পেলে নিরাপত্তা দেওয়া হবে। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের পাবলিক প্রসিকিউটর ছালেহ আহম্মদ সোহেল খান বলেন, এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ ২৩ জন সাক্ষী উপস্থাপন করে। আসামি পক্ষের পাঁচজন সাফাই সাক্ষী প্রদান করে। কোনো সাক্ষীই ভোট কেন্দ্রে পছন্দের প্রতীকে ভোট না দেওয়ায় জেরে এমন ঘটনা ঘটেছে বলে তাদের বক্তব্যে উল্লেখ করেনি। মামলায় রুহুল আমিন মেম্বারসহ ১৬ জন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়েছে। ১৫ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মো. মিন্টু ওরফে হেলাল (২৮) নামে একজন আসামি ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছে। আগামী ৫ ফেব্রুয়ারি মামলাটির রায় ঘোষণা হওয়ার কথা রয়েছে। আদালতে বাদীপক্ষের আইনজীবী ও জেলা বারের সাবেক সভাপতি মোল্লা হাবিবুর রছুল মামুন বলেন, সুবর্ণচরে নারীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের সেই আলোচিত ঘটনায় কারাগারে রয়েছে ১৫ জন আসামি। তাদের মধ্যে ৮ জন আসামি নিজেদের দোষ স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.রফিকুল ইসলাম অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে বলেন, বিষয়টি কেউ আমাকে অবহিত করেনি।

বিজ্ঞাপন

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Categories