• রবিবার, ১৪ জুলাই ২০২৪, ০৪:৫১ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম
৭৭ প্রতিষ্ঠানকে জাতীয় রপ্তানি ট্রফি তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী ভিকারুননিসার ১৬৯ শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিলের আদেশ বহাল ট্রাম্পের ওপর হত্যাচেষ্টা হয়েছে: এফবিআই আদ্-দ্বীন উইমেন্স মেডিকেল কলেজে পোস্ট গ্রাজুয়েশন কোর্সের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠান ফুটবলের উন্নয়নে সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী কোটাবিরোধীদের আন্দোলন থামানো উচিত : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও জেলাকে শিশুশ্রমমুক্ত ঘোষণা প্রক্রিয়াধীন : শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নোয়াখালীর মেঘনায় অজ্ঞাত যুবকের লাশ রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরুতে ইতিবাচক মিয়ানমার শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে স্বাধীনতাবিরোধীরা ভর করেছে : ওবায়দুল কাদের

শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

নিজস্ব প্রতিবেদক : / ৫৮ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৩

সবুজবাংলা২৪ডটকম, ঢাকা : রাজধানীর মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বৃহস্পতিবার (১৪ ডিসেম্বর) সকাল ৭টা ১ মিনিটে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষ্যে এ শ্রদ্ধা জানান তারা।
স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের পর কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী। এ সময় বিউগলে বাজানো হয় করুণ সুর।
এসময় শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে গার্ড অব অনার প্রদান করে তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল।
এরপর আওয়ামী লীগ সভাপতি হিসেবে দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে নিয়ে শহীদ সমাধিতে ফুল দিয়ে পুনরায় শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
শহীদ স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর উপস্থিত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা জানানো শেষে সর্বস্তরের মানুষ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
শ্রদ্ধা জানান শহীদ বুদ্ধিজীবী ও মুক্তিযোদ্ধার পরিবারের সদস্যরাও। বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন ছাড়াও রাজধানীর স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরাও স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানান।
ইতিহাস বলছে, ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বরের হত্যাকা- ছিল পৃথিবীর ইতিহাসে জঘন্যতম বর্বর ঘটনা। পাকিস্তানি বাহিনী ও তাদের এ দেশীয় দোসররা পৈশাচিক হত্যাযজ্ঞের পর ঢাকার মিরপুর ও রায়েবাজারসহ বিভিন্ন স্থানে বুদ্ধিজীবীদের লাশ ফেলে রাখে।
১৬ ডিসেম্বর মুক্তিযুদ্ধে বিজয় অর্জনের পরপরই নিকট-আত্মীয়রা মিরপুর ও রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে স্বজনের লাশ খুঁজে পায়। বুদ্ধিজীবীদের নিথর দেহজুড়েই ছিল আঘাতের চিহ্ন, চোখ, হাত-পা বাঁধা, কারও কারও শরীরে একাধিক গুলি ও অনেককে হত্যা করা হয়েছিল ধারালো অস্ত্র দিয়ে জবাই করে। লাশের ক্ষতচিহ্নের কারণে অনেকেই তাদের প্রিয়জনের মৃতদেহ শনাক্তও করতে পারেননি।

বিজ্ঞাপন

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Categories