• রবিবার, ১৪ জুলাই ২০২৪, ০৫:২৩ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম
৭৭ প্রতিষ্ঠানকে জাতীয় রপ্তানি ট্রফি তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী ভিকারুননিসার ১৬৯ শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিলের আদেশ বহাল ট্রাম্পের ওপর হত্যাচেষ্টা হয়েছে: এফবিআই আদ্-দ্বীন উইমেন্স মেডিকেল কলেজে পোস্ট গ্রাজুয়েশন কোর্সের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠান ফুটবলের উন্নয়নে সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী কোটাবিরোধীদের আন্দোলন থামানো উচিত : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও জেলাকে শিশুশ্রমমুক্ত ঘোষণা প্রক্রিয়াধীন : শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নোয়াখালীর মেঘনায় অজ্ঞাত যুবকের লাশ রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরুতে ইতিবাচক মিয়ানমার শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে স্বাধীনতাবিরোধীরা ভর করেছে : ওবায়দুল কাদের

নোয়াখালীতে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা, মৃত্যুর একমাস পর মরদেহ উত্তোলন

একেএম শাহজাহান : / ১৯ Time View
Update : বুধবার, ১২ জুন, ২০২৪

সবুজবাংলা২৪ডটকম, নোয়াখালী : নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলায় মৃত্যুর একমাস ৫ দিন পর মো.আলাউদ্দিন (২৬) নামে এক দিনমজুরের মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে। বুধবার (১২ জুন) দুপুরে কবিরহাট উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অমৃত দেবনাথের উপস্থিতিতে উপজেলার বাটইয়া ইউনিয়নের ২নম্বর ওয়ার্ডের বাটইয়া গ্রামের একটি কবরস্থান থেকে মরদেহটি উত্তোলন করা হয়। এরআগে, গত ১ মে উপজেলার যাদবপুর গ্রামে নরোত্তমপুর ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান এ.কে.এম সিরাজ উল্যার বাড়িতে ওই যুবককে নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে। নিহত মো. আলাউদ্দিন উপজেলার বাটইয়া গ্রামের মহিন উদ্দিনের ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এ ঘটনায় গত ৩ জুন নিহতের মা নুরজাহান বেগম বাদী হয়ে নরোত্তমপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এ.কে.এম সিরাজ উল্যাকে প্রধান আসামি করে নিশান (২২) ও কবির (৩০) নামে তিনজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও ৫ থেকে ৬ জনকে আসামি করে নোয়াখালীর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ৪ নং আমলি আদালতে সিআর মামলা দায়ের করেন। পরে আদালতের নির্দেশে কবিরহাট থানার পুলিশ হত্যা মামলা রুজু করেন। নিহতের বাবা মহিন উদ্দিন অভিযোগ করে বলেন, আমাদের বাড়ির জায়গা নিয়ে সমস্যা হলে নরোত্তমপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এ.কে.এম সিরাজ উল্যার কাছে বিচার প্রার্থনা করি। এরপর তিনি নিজেই জায়গাটি ক্রয় করে নিতে চায়। ওই জায়গা নিয়ে বিরোধের জের ধরে গত ১ মে রাত ৯টার দিকে চেয়ারম্যান সিরাজ আমার ছেলে আলাউদ্দিনকে তার বাড়িতে ডেকে নেয়। এরপর সেখানে দুই দিন আটকে রেখে তার অনুসারী নিশান ও কবিরসহ ৮-৯ জন আমার ছেলেকে লোহার রড, জিআই পাইপ দিয়ে বেধড়ক পিটিয়ে মাথা, হাঁটু, চোখসহ শরীরের বিভিন্নস্থানে জখম করে। পরে কে বা কাহারা গুরুত্বর আহত অবস্থায় আলাউদ্দিনকে কবিরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। তার অবস্থার অবনতি হলে ৫ মে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে চট্রগ্রাম মেডিকেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। ৬ মে ভোর রাতে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। ৭ মে তাকে পারিবারিক করস্থানে দাফন করা হয়। তিনি অভিযোগ করে আরও বলেন, আমার ছেলের মৃত্যুর সংবাদ সিরাজ চেয়ারম্যানের বড় ভাই ডা.জাফর উল্যাহে জানালে তিনি বিষয়টি বাড়িতে এসে সুরাহা করবেন বলে জানায়। এরপর তিনি চট্রগ্রাম মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষকে বাধ্য করে চিকিৎসার কাগজপত্র না দিয়ে শুধু মাত্র আমার ছেলের মৃত্যুর সনদ দিয়ে রিলিজ করে দেয়। ১নং আসামি চেয়ারম্যান সিরাজের বড় ভাই ডা.জাফরের কালক্ষেপণের কারণে আমাদের মামলা করতে বিলম্ব হয়। তিন বছর আগে এই সিরাজ চেয়ারম্যান আমাকেও তুলে নিয়ে মারধর করেন। অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ডা. জাফর উল্যাহ অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে বলেন, এ বিষয়ে আমি কিছুই জানিনা। আমার এলাকার লোক আমার কাছে কোনো কাজে আসলে আমি সাহায্য করি। নরোত্তমপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এ.কে.এম সিরাজ উল্যা অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে বলেন, এক সময় তারা জমি বিক্রি করতে চাইছে আমি ক্রয় করিনি। আমি এক একজন জনপ্রতিনিধি আমার কাজ হচ্ছে মানুষের জানমাল রক্ষা করা। আমি কোনভাবেই এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত নেই। ইনশাআল্লাহ একদিন এটা প্রমাণ হবে। কবিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ন কবির বলেন, নিহতের মা আদালতে মামলা দায়ের করলে আদালত থানায় মামলাটি রুজু করার নির্দেশ দেয়। আদালতের আদেশে তিনজনকে আসামি করে থানায় মামলা রের্কড করা হয়েছে। একই সঙ্গে আদালতের নির্দেশে মামলার তদন্তের স্বার্থে কবর থেকে ভিকটিমের মরদেহ উত্তোলন করা হয়েছে। মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি ও ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত করে পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নোয়াখালীতে মাদকবিরোধী অভিযানে ২ কারবারি গ্রেপ্তার
নোয়াখালীতে মাদকবিরোধী পৃথক পৃথক অভিযান, ২ মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তর। নোয়াখালীর সদরে চালের ড্রামে রেখে গাঁজা ব্যবসার দায়ে মো. আকতার হোসেন রনি ভূইয়া (৪২) নামের এক মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। গতকাল রাতে নোয়াখালী পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের চন্দ্রপুর গ্রামের ইসমাইল ম্যানশনের ভাড়াবাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ সময় তার কাছ থেকে ১ কেজি গাঁজা জব্দ করা হয়েছে। গ্রেফতার রনি ভূইয়া সিলেট জেলার মাধবপুর উপজেলার মৃত এবাদ উল্যাহর ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন সিলেট-নোয়াখালী যাতায়াত করে মাদকের কেনাবেচা করে আসছেন। তার বিরুদ্ধে সুধারাম মডেল থানায় মাদক আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে। জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক মো. আবদুল হামিদ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।তিনি বলেন, গোপন সূত্রের খবরে রোববার রাত ৯টার দিকে রনির ভাড়াবাসায় অভিযান চালানো হয়। পরে তল্লাশি করে চালের ড্রামের রাখা ১কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি দীর্ঘদিন পাইকারি কিনে খুচরা গাঁজার ব্যবসা করে আসছেন বলে স্বীকার করেছেন। তিনি আরও বলেন, আসামি আকতার হোসেন রনি ভূইয়ার বিরুদ্ধে সুধারাম মডেল থানায় মামলা রুজু করে চিফ জুডিশিয়াল মাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় আরও একাধিক মাদকের মামলা রয়েছে। অপরদিকে একই দিন রাত ১০টার দিকে নোয়াখালী সোনাইমুড়ীর আমিশাপাড়া ইউনিয়নের পদিপাড়া গ্রামের মৃত দুলালের পুত্র মোঃ রিপন (৩৫) এর কাছ থেকে তার দেহ তল্লাশি করে ৩১ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ তাকে গ্রেফতার করে। এবিষয়েও সোনাইমুড়ী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Categories